সুভা গল্পের অনুধাবনমূলক জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
সুভা গল্পের অনুধাবনমূলক ও জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি প্রায় পরীক্ষায় দেখা যায়। আপনার যদি ফোন না থাকে তাহলে আর্টিকেলটি আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে খুব সহজ ভাষায় আলোচনা করা হয়েছে অনুধাবনমূলক জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর।
সুভা গল্পের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও জ্ঞানমূলক প্রশ্নের উত্তর জানতে আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
ইভিভিটিভ
সুভা গল্পের অনুধাবন মূলক প্রশ্ন ও উত্তর
নিম্নে সুভা গল্পের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর পড়লে পরিক্ষার শতভাগ কমন পেহে পারো। সব কিছু এমন ভাবে তুলে ধরাহয়েছে যাতে সহজে সব কিছু বুঝতে পারে। তো চলুন বেশি দেরি না করে শুরু করা যাক।
প্রশ্ন:১ সুভা কলকাতায় যেতে চায় না কেন?
উত্তর: পরিবেশের প্রতি প্রবল মায়া অনুভব করায় সুভ কলকাতায় যেতে চায় না।
বাক্প্রতিবন্ধী সুভার মাঝে তার বাড়ির প্রতি রয়েছে গভীর মমত্ববোধ। বাড়ির চারপাশের প্রকৃতির সাথে সে করে নিয়েছে মিতালি। বোবা হওয়ার কারণে তার তেমন কোনো বন্ধু নেই। গোয়ালের দুটি গাড়ি, ছাগল, বিড়ালশাবক আর মানবসমাজের অন্তর্ভুক্ত প্রতাপ তার নিত্য সহচর।। এদেরকে ছেড়ে কলকাতার অনিশ্চয়তাভরা জীবনকে মেনে নিতে সায় দেয় না সুভার মন।
প্রশ্ন-২. সুভাকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলো কেন?
উত্তর: গ্রামের মানুষের নিন্দা ও একঘরে হওয়ার ভয়ে বিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে সুভাকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সুভার বয়স ক্রমেই বেড়ে চলছিল। তৎকালীন সমাজে তার বয়সের মেয়েদের বিয়ে না হলে তা নিয়ে নিন্দা করা হতো। সুভা বাক্প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাকে নিয়ে করতে রাজি হয় না কেউ। ফলে তার পরিবারকে নিয়ে সমালোচনা বাড়তে থাকে। উপরন্তু সুভার বাবা সাহল গৃহস্থ হওয়ায় তার কিছু শত্রুও ছিল। তাদের প্ররোচনায় পরিবারটিকে একঘরে করা হবে বলেও গুজব ছড়ায়। এ কারণেই সুভাকে বিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ গৃহীত হয়।
আরো পড়ুন: বর্তমান বিশ্বের সেরা গোলকিপার কে
প্রশ্ন-৩, 'প্রকৃতি যেন তাহার ভাষার অভাব পূরণ করিয়া দেয়।'- ব্যাখ্যা করো?
উত্তর: প্রকৃতির সাথে সুভার গভীর মিতালির বিষয়টিই প্রকাশিত হয়েছে। আলোচ্য উক্তিতে।
সুরা যখন নদীর তীরে এসে বসত তখন তার সামনে নদীর কলধ্বনি, লোকের কোলাহল, মাঝির গান, পাখির ডাক, তরুর মর্মর সমস্ত মিলেমিশে একাকার হয়ে যেত। প্রকৃতির এই বিবিধ শব্দ এবং বিচিত্র গতিও সুভার ভাষার মতোই নীরব অথচ বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত। এভাবেই
সুভার ভাষার অভাব পূরণ করে দিত প্রকৃতি।
প্রশ্ন-৪. ঘরে কঠিন কথা শুনে সুভা গোয়াল ঘরে যেত কেন?
উত্তর: বন্ধুস্বরূপ গাড়ি দুটির কাছ থেকে সান্ত্বনা লাভের জন্য ঘরে কঠিন কথা শুনলে সুভা গোয়ালঘরে যেত।
কোনো ভৎসনা বা কঠিন কথা শোনার পর সুভা গোয়াল ঘরে ঢুকে তার মূক বন্ধুদুটির কাছে আসত। সুভার সহিষ্ণুতা পরিপূর্ণ বিষাদ-শান্ত দৃষ্টিপাত থেকে গোয়ালের এই দুটি গাভি কী একটা অন্ধ অনুমান শক্তির দ্বারা সুভার মর্মবেদনা যেন বুঝতে পারত এবং তারা সুভার গা ঘেঁষে তার বাবুতে অল্প করে শিং ঘষে তাকে নির্বাক ব্যাকুলতার সাথে সান্ত্বনা দিতে চেষ্টা করত। এর ফলে সুভার মনের বেদনা কিছুটা হলেও প্রশমিত হতো।
প্রশ্ন-৫. অকর্মণ্য লোকেরা কীভাবে নিঃসম্পর্ক মানুষের প্রিয়পাত্র হয়? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: অর্কমণ্য লোকের নিঃস্বার্থভাবে নিঃসম্পর্ক মানুষদের নানা উপকারে আসে বলে তারা প্রায়ই মানুষের প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠে।
অকর্মণ্য লোকেরা কোনো কাজে আসে না বলে আত্মীয়রা তাদের ওপর বিরক্ত থাকে। কিন্তু অনেক সময় নিঃসম্পর্ক মানুষের কাছে এই অকর্মণ্য লোকেরা প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠে। কারণ, তারা কোনো কাজ না করায় সবসময় তাদের হাতে অনেক সময় থাকে। ফলে কাজে-কর্মে, আমোদে-অবসরে যেখানে একটা লোক কম পড়ে সেখানেই তাদের হাতের কাছে পাওয়া যায়।
প্রশ্ন-৬. সুভা কেন মনে মনে অলৌকিক ক্ষমতা প্রার্থনা করত?
উত্তর: প্রতাপকে অভিভূত করার জন্য সুভা মনে মনে অলৌকিক ক্ষমতা প্রার্থনা করত।
সুভা মনে মনে প্রতাপকে ভালোবাসত। তাই প্রতাপ যখন নদীর তীরে বসে মাছ ধরত তখন সুভা তার পাশে বসে ভাবত সে যদি প্রতাপের কোনো কাজে বা সাহায্যে আসতে পারত। কিন্তু তার কিছুই করার ছিল না। তাই সে বিধাতার কাছে অলৌকিক ক্ষমতা প্রার্থনা করত যেন হঠাৎ মন্ত্রবলে সে এমন একটা আশ্চর্য কাণ্ড ঘটিয়ে দিতে পারে যা দেখে প্রতাপ অভিভূত হয়। বস্তুত প্রতাপের মন জয় করার জন্যই সুভা অলৌকিক ক্ষমতা প্রার্থনা করত।
প্রশ্ন-৭. বিদেশ যাওয়ার প্রাক্কালে সুভার মনের অবস্থা কেমন ছিল?
উত্তর: বিদেশে যাওয়ার প্রাক্কালে অজানা আশঙ্কায় সুভার মন আচ্ছন্ন ছিল।
বিদেশ যাওয়ার সময় কুয়াশা-ঢাকা প্রভাতের মতো সুভার সমস্ত इमा অণুবাষ্পে ভরে যায়। একটা অনির্দিষ্ট আশঙ্কায় সে কিছুদিন থেকেই ক্রমাগত নির্বাক জন্তুর মতো তার বাবা-মায়ের সঙ্গে সলোই থাকত। ভাগর চক্ষু মেলে তাদের মুখের দিকে তাকিয়ে কিছু একটা বোঝার চেষ্টা করত। কিন্তু তারা তাকে কিছুই বুঝিয়ে বলত না। ফলে একটা ধোঁয়াশাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে সুভার মন সর্বদা ঘুরপাক খেত।
প্রশ্ন-৮, 'দেখিস আমাদের তুলিস নে।'- প্রতাপ কেন বলেছিল?
উত্তর: বিয়ে হয়ে গেলে সুভা যেন তাকে না ভুলে যায়- প্রতাপ ঠাট্টাচ্ছলে সে কথাটিই বলেছিল।
একদিন বিকেলে নদীর তীরে বসে মাছ ধরার সময় প্রতাপ সুভার উদ্দেশ্যে প্রশ্নে উল্লিখিত উক্তিটি করেছিল। সুভার বিয়ের খবর শুনে।
প্রতাপ হেসে হেসে সুভাকে বলেছিল বিয়ের পর সুভা যেন সবাইকে ভুলে না যায়। বস্তুত প্রতাপ এ উত্তির মধ্য দিয়ে সুভাকে বোঝাতে চেয়েছে, সে সুভার শুভাকাঙ্ক্ষী।
প্রশ্ন-৯, কলকাতা যাবার আগের দিন সুভা বাল্যসখীদের নিকট থেকে কীভাবে বিদায় নিয়েছিল? বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর : অশ্রুসজল চোখে সুভা কলকাতা যাবার আগে বাল্যসখীদের কাছ থেকে বিদায় নিয়েছিল।
কলকাতা যাবার আগের দিন সুভা তার বাল্যসখী গাভি দুটির নিকট বিদায় নিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিল। সুভা গোয়ালঘরে গিয়ে তার বাল্যসখীদের কাছে বিদায় নিতে গিয়ে তাদেরকে নিজের হাতে খাইয়ে দেয়। গলা ধরে একবার দুই চোখে যত পারে কথা ভরে তাদের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। আর তখন বাঁধভাঙা ঝর্ণার মতো সূভার দুই চোখ থেকে টপটপ করে অশ্রু পড়তে থাকে।
প্রশ্ন-১০. শুক্লাদ্বাদশীর রাতে সুভা শয়নগৃহ থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল কেন?
উত্তর: চির পরিচিত প্রকৃতিকে শেষবারের মতো আলিজান করার জন্য শুক্লাদ্বাদশীর রাতে সুভা শয়নগৃহ থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল।
শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত মায়াময় চির পরিচিত পরিবেশ ছেড়ে সুভা কিছুতেই অজানায় পাড়ি জমাতে চায় না। তাই শেষবারের মতো প্রিয় প্রকৃতির সান্নিধ্যে আসতেই শুক্লাম্বাদশীর রাতে শয়নগৃহ থেকে বেরিয়ে সুভা লুটিয়ে পড়েছিল ঘাসের বুকে। যেন ধরণীকে, এই প্রকাণ্ড মূক মানবতাকে দুই বাহুতে ধরে সুভা বলতে চেয়েছে, তাকে যেন ত্যাগ না করে। প্রকৃতির প্রতি অগাধ মমত্ববোধই সুভাকে শুক্লাম্বাদশীর রাতে শয়নগৃহ থেকে বের করে এনেছিল।
জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
পরীক্ষায় জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন সরাসরি কমন পেতে পারো। তাই শতভাগ কমনের জন্য নিচের প্রশ্নোত্তরগুলোও ভালোভাবে পড়ো।
প্রশ্ন-১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ৭ই মে, ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রশ্ন-২, রবীন্দ্রনাথ কোন কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
প্রশ্ন-৩, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
প্রশ্ন-৪. পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভারের মতো বিরাজ করছে কে?
উত্তর: পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভারের মতো বিরাজ করছে সুভা।
প্রশ্ন-৫. কে সুভাকে নিজের একটা ত্রুটিস্বরূপ দেখতেন?
উত্তর: সুভার মা সুভাকে নিজের একটা ত্রুটিস্বরূপ দেখতেন।
প্রশ্ন-৬. সুভার বাবার নাম কী?
উত্তর: সুভার বাবার নাম হলো বাণীবষ্ঠ।
প্রশ্ন-৭. সুভাদের গ্রামের নাম কী?
উত্তর: সুভাদের গ্রামের নাম চণ্ডীপুর।
প্রশ্ন-৮. প্রকৃতি কার ভাষার অভাব পূরণ করে দেয়?
উত্তর: প্রকৃতি সুভার ভাষার অভাব পূরণ করে দেয়।
প্রশ্ন-৯, কত বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথের 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয়?
উত্তর: পনেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথের 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয়।
প্রশ্ন-১০. 'শেষের কবিতা' কী ধরনের গ্রন্থ? উত্তর: 'শেষের কবিতা' একটি উপন্যাস।
প্রশ্ন-১১. 'বিচিত্র প্রবন্ধ' কার লেখা?
উত্তর: 'বিচিত্র প্রবন্ধ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।
প্রশ্ন-১২, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত বঙ্গাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে মৃত্যুবরণ করেন
প্রশ্ন-১৩, প্রকৃতির বিবিধ শব্দ এবং বিচিত্র পতি কীসের ভাষা?
উত্তর: প্রকৃতির বিবিধ শব্দ এবং বিচিত্র গতি বোবার ভাষা।
প্রশ্ন-১৪. গোয়ালের গাভি দুটির নাম কী?
উত্তর: গোয়ালের গাভি দুটির নাম সর্বশী ও পাঙ্গুলি।
প্রশ্ন-১৫. সুভা দিনের ভেতরে কয়বার গোয়াল ঘরে যেত?
উত্তর: সুভা দিনের ভেতরে তিনবার গোয়াল ঘরে যেত।
প্রশ্ন-১৬. উন্নত শ্রেণির জীবের মধ্যে সুভার যে সঙ্গী জুটেছিল তার নাম কী?
উত্তর: উন্নত শ্রেণির জীবের মধ্যে সুভার যে সঙ্গী জুটেছিল তার নাম প্রতাপ।
প্রশ্ন-১৭. গোঁসাইদের ছোট ছেলের নাম কী?
উত্তর: গোঁসাইদের ছোট ছেলের নাম প্রতাপ।
প্রশ্ন-১৮. প্রতাপের প্রধান শখ কী?
উত্তর: প্রতাপের প্রধান শখ ছিপ ফেলে মাছ ধরা।
প্রশ্ন-১৯, কে মনে মনে বিধাতার কাছে অলৌকিক ক্ষমতা প্রার্থনা করত?
উত্তর: সুভা মনে মনে বিধাতার কাছে অলৌকিক ক্ষমতা প্রার্থনা করত।
প্রশ্ন-২০. প্রতাপকে সাহায্য করতে চাইত কে?
উত্তর: প্রতাপকে সাহায্য করতে চাইত সুভা।
প্রশ্ন-২১. কোন তিথির প্রকৃতি সুভার মতো একাকিনী?
উত্তর: পূর্ণিমা তিথির প্রকৃতি সুভার মতো একাকিনী।
প্রশ্ন-২২. বাণীকণ্ঠ ফিরে এসে কোথায় যাওয়ার জন্য স্ত্রীকে বলল?
উত্তর: বাণীকণ্ঠ ফিরে এসে কলকাতায় যাওয়ার জন্য স্ত্রীকে বলল।
প্রশ্ন-২৩. কলকাতায় যাওয়ার প্রাক্কালে কোন তিথির রাত্রি ছিল?
উত্তর: কলকাতায় যাওয়ার প্রাক্কালে শুক্লাদ্বাদশীর রাত্রি ছিল।
প্রশ্ন-২৪. মর্মবিদ্ধ হরিণী কার দিকে তাকায়?
উত্তর: মর্মবিদ্ধ হরিণী ব্যাধের দিকে তাকায়।
প্রশ্ন-২৫. সুভা কী ধরনের প্রতিবন্ধী?
উত্তর: সুভা বাক্প্রতিবন্ধী।
প্রশ্ন-২৬. সুভার কয়টি বোন ছিল?
উত্তর: সুভার দুটি বোন ছিল।
প্রশ্ন-২৭. 'সুভা' গল্পে বর্ণিত গ্রামের নাম কী?
উত্তর: 'সুভা' গল্পে বর্ণিত গ্রামের নাম চণ্ডীপুর।
প্রশ্ন-২৮. অবসর সময়ে সুভা কোথায় গিয়ে বসত?
উত্তর: অবসর সময়ে সুভা নদীতীরে গিয়ে বসত।
প্রশ্ন-২৯. 'কিশলয়' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: 'কিশলয়' শব্দের অর্থ গাছের নতুন পাতা।
প্রশ্ন-৩০. 'শুক্লাদ্বাদশী' মানে কী?
উত্তর: 'শুক্লাদ্বাদশী' মানে শুক্লপক্ষের চাঁদের বারোতম দিন।
প্রশ্ন-৩১, 'সুভা' গল্পে সুভাকে 'সুভি' বলা হয়েছে কত বার?
উত্তর: 'সুভা' গল্পে সুভাকে 'সুভি' বলা হয়েছে একবার।
লেখকের মন্তব্য
সুভা গল্পের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর এবং সুভা গল্পের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর উপরে তুলে ধরেছি যা পরীক্ষায় শতভাগ কমন পেতে পারো। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে এবং আপনার সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে শেয়ার করুন। এই বিষয়ে যদি আপনার কোন মতামত থাকে নিজের মন্তব্য করুন আপনি ক্লিক করে আপনার মূল্যবান মতামত জানিয়ে দিন। এরকম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।


ইভিভিটিভি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়;
comment url