বই পড়ার উপকারিতা অভ্যাস গড়ে তোলার উপায়
আপনি কি বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম খুঁজছেন? মানসিক বিকাশ, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি এবং খুব সহজে নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করার ১০টি বিজ্ঞানসম্মত ও কার্যকর ঘরোয়া টিপস জানুন এই পূর্ণাঙ্গ গাইডে।
কুইক ওভারভিউ টেবিল (Quick Overview Table)
বই পড়ার উপাকারিতা অভ্যাস গড়ে তোলার উপায়
“বই মানুষের শ্রেষ্ঠ বন্ধু”— ছোটবেলা থেকে এই কথাটা আমরা কতবার যে শুনেছি, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। কথাটা কিন্তু একবিন্দুও ভুল নয়। একটা ভালো বই কেবল আমাদের আনন্দই দেয় না, বরং আমাদের চিন্তাচেতনা, মানসিকতা আর পুরো জীবনটাকেই বদলে দিতে পারে।
সভ্যতার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত জ্ঞান ধরে রাখার সবচেয়ে বড় মাধ্যমই হলো বই। কিন্তু আজকাল হয়েছে কী, সোশ্যাল মিডিয়ার রিলস, শর্টস আর সারাদিন স্ক্রিন স্ক্রোল করার চক্করে আমরা অনেকেই বই পড়ার এই দারুণ অভ্যাসটা হারিয়ে ফেলেছি। তাই বর্তমান প্রজন্মের জন্য বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম জানাটা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
আপনিও কি চাচ্ছেন আপনার সেই হারিয়ে যাওয়া বই পড়ার অভ্যাসটা আবার ফিরিয়ে আনতে? কিংবা ইন্টারনেটে বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম লিখে সার্চ করে একটি সঠিক গাইডলাইন খুঁজছেন?
তবে আজকের এই লেখাটি আপনার জন্যই। একদম সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় আজ আমরা বিস্তারিত জানবো বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম সম্পর্কে, যা আপনার জীবনকে এক নতুন আলোয় আলোকিত করবে।
বই পড়ার উপকারিতা (Benefits of Reading Books)
নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস আমাদের শরীর ও মন— দুটোর জন্যই দারুণ উপকারী। আপনি যদি বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে পারেন, তবে বই পড়ার প্রতি আপনার ভালোবাসা এমনিতেই বেড়ে যাবে। চলুন এর প্রধান উপকারিতাগুলো একটু বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক:
মানসিক চাপ আর ক্লান্তি এক নিমেষে হাওয়া
সারাদিনের কর্মব্যস্ততা, পড়াশোনা বা কাজের প্রেসারে আমাদের মন যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তখন এক কাপ চা আর একটা ভালো বইয়ের চেয়ে বড় থেরাপি আর হতেই পারে না। গবেষকরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, মাত্র ৬ মিনিট মন দিয়ে বই পড়লে শরীরের স্ট্রেস বা মানসিক চাপ প্রায় ৬৮% কমে যায়। তাই বলা যায়, মানসিক প্রশান্তি পাওয়ার জন্য বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম মেনে চলা আমাদের সবার জন্যই দরকার। বই আমাদের মনকে বাস্তব জগতের সব দুশ্চিন্তা থেকে দূরে চমৎকার একটা কাল্পনিক জগতে নিয়ে যায়, যা মনকে নিমেষেই শান্ত করে তোলে।
স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে
আমাদের শরীরকে ফিট রাখতে যেমন জিম বা ব্যায়ামের প্রয়োজন, ঠিক তেমনি আমাদের মগজ বা মস্তিষ্ককে সচল রাখতে বই পড়া হলো সবচেয়ে সেরা ব্যায়াম। বই পড়ার সময় আমাদের মস্তিষ্কের কোষগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে, যারা নিয়মিত বই পড়েন, বয়স বাড়লেও তাদের স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া বা আলঝেইমারের মতো কঠিন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক কমে যায়। মস্তিষ্কের এই দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষায় বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম দারুণ ভূমিকা পালন করে।
নতুন শব্দ শেখা ও স্মার্টলি কথা বলার যোগ্যতা
আপনি গল্প, উপন্যাস, বিজ্ঞান বা ক্যারিয়ার বিষয়ক— যে বই-ই পড়ুন না কেন, প্রতিটা বইয়ে আপনি নতুন নতুন শব্দ আর সুন্দর সব বাক্য গঠনের স্টাইল দেখতে পাবেন। নিয়মিত পড়তে পড়তে এই শব্দগুলো আপনার মনের ভেতর গেঁথে যায়।
এর ফলে মানুষের সাথে কথা বলার সময় বা কোনো কিছু লেখার সময় আপনার ভাষাগত দক্ষতা অনেক বেড়ে যাবে। আর এই কারণেই অনেকে নিজেকে স্মার্টলি উপস্থাপন করতে বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম খুঁজে থাকেন, যা তাদের সবার মাঝে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।
মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা (Focus) বৃদ্ধি পায়
আজকাল ফেসবুক, টিকটক আর রিলসের যুগে আমাদের কোনো একটা জিনিসে বেশিক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে গেছে। আমরা খুব দ্রুত এক অ্যাপ থেকে অন্য অ্যাপে চলে যাই। কিন্তু একটা বই পড়ার সময় আমাদের পুরো মনোযোগটা একটা নির্দিষ্ট গল্পের ওপর ধরে রাখতে হয়।
প্রতিদিন অন্তত ১৫-২০ মিনিট বই পড়ার এই চর্চা বাস্তব জীবনেও যেকোনো কাজে আমাদের ফোকাস বা গভীর মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই মনোযোগ বাড়াতে চাইলে বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম জানা এবং তা অ্যাপ্লাই করা উচিত।
মানুষের প্রতি সহমর্মিতা ও সহানুভূতি তৈরি হয়
বিশেষ করে যখন আমরা কোনো গল্প বা উপন্যাস পড়ি, তখন আমরা গল্পের চরিত্রগুলোর সুখ, দুঃখ, কষ্ট আর সংগ্রামের সাথে নিজেদের মিলিয়ে ফেলি। এটা কিন্তু আমাদের বাস্তব জীবনেও অনেক বড় একটা পরিবর্তন আনে। আমরা সহজেই অন্য মানুষের কষ্ট ও তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে পারি।
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, বই পড়ার অভ্যাস মানুষকে অনেক বেশি মানবিক ও সহানুভূতিশীল করে তোলে। সমাজের প্রতিটি মানুষের সুন্দর মনস্তাত্ত্বিক বিকাশের জন্য বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম জানা বেশ প্রয়োজন।
কল্পনাশক্তির বিকাশ ও নতুন আইডিয়া তৈরি
আমরা যখন কোনো সিনেমা বা নাটক দেখি, তখন দৃশ্যগুলো আমাদের সামনে দেওয়াই থাকে। কিন্তু যখন আমরা বই পড়ি, তখন লেখকের লেখা পড়ে আমাদের নিজেদের মাথায় সেই দৃশ্যটা कल्पना করে নিতে হয়— যেমন ঘরের রঙ কেমন, নায়ক দেখতে কেমন ইত্যাদি।
এই প্রক্রিয়াটি আমাদের কল্পনাশক্তির ডানা মেলে দেয়, যা পরবর্তীতে যেকোনো সৃজনশীল কাজে বা ব্যবসার নতুন আইডিয়া তৈরিতে দারুণ সাহায্য করে। তাই ক্রিয়েটিভ হতে চাইলে বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম আপনার ডেইলি রুটিনে যোগ করা উচিত।
রাতে চমৎকার ও শান্তিময় ঘুম
ঘুমানোর আগে মোবাইল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে তা থেকে বের হওয়া নীল আলো আমাদের ঘুম নষ্ট করে। ফলে মাঝরাত পর্যন্ত এপাশ-ওপাশ করতে হয়। এর বদলে বিছানায় শুয়ে ফোনটা দূরে রেখে মাত্র ১৫ মিনিট একটা কাগজের বই পড়ে দেখুন।
চোখ আর মন দুটোই শান্ত হয়ে আসবে এবং খুব দ্রুত গভীর ও শান্তির ঘুম আসবে। উন্নত লাইফস্টাইল ও ভালো ঘুমের জন্য চিকিৎসকেরাও বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
বই পড়ার অভ্যাস গড়ার ১০টি সহজ নিয়ম
বই পড়ার এতসব উপকার শোনার পর নিশ্চয়ই মনে হচ্ছে, “নাহ! আজ থেকেই বই পড়া শুরু করতে হবে।”
তবে শুধু উপকারিতা জানলেই হবে না, এর জন্য সঠিক গাইডলাইনও দরকার। তাই লেখার এই অংশে আমরা মূলত বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম এর আসল কৌশলগুলো নিয়ে আলোচনা করব। চলুন ১০টি সহজ টেকনিক জেনে নিই:
শুরুটা হোক একদম ছোট লক্ষ্য দিয়ে
অনেকেই জোশের মাথায় প্রথম দিনই একটা মোটা বই নিয়ে বসেন এবং ভাবেন আজই ৫০ পৃষ্ঠা পড়ে ফেলবেন! ফলাফল? দুদিন পর আর বইটার দিকে তাকাতেও ইচ্ছা করে না।
এই ভুলটা করবেন না। বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম এর প্রথম শর্তই হলো— লক্ষ্য ছোট রাখা। প্রতিদিন মাত্র ৫ পৃষ্ঠা বা ১০ মিনিট পড়ার টার্গেট নিন। লক্ষ্য ছোট হলে সেটা পূরণ করা সহজ হয় এবং মগজ এটাকে কোনো বোঝা মনে করে না।
নিজের ভালো লাগার বিষয় বেছে নিন
শুরুতেই কোনো কঠিন দর্শন, ইতিহাস বা ভারী সাহিত্যের বই হাতে নেবেন না। আপনার যে জিনিসটা ভালো লাগে— হতে পারে সেটা কোনো থ্রিলার বা গোয়েন্দা গল্প, সায়েন্স ফিকশন, কমিকস, কিংবা আত্মуন্নয়নমূলক (Self-help) বই, সেটা দিয়েই শুরু করুন।
মনে রাখবেন, বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম আয়ত্ত করতে হলে শুরুতে বইয়ের মানের চেয়ে আপনার পড়ার আনন্দটা বেশি জরুরি।
একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে নিন
প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট কাজের পর বই পড়ার চেষ্টা করুন। যেমন: “আমি প্রতিদিন সকালের নাস্তা শেষ করে ৫ মিনিট বই পড়ব” অথবা “রাতে ঘুমানোর জন্য বিছানায় গিয়ে আমি ৫ পৃষ্ঠা বই পড়ব”।
প্রতিদিন একই সময়ে পড়লে এটি খুব দ্রুত আপনার প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে। এই ছোট ছোট টেকনিকগুলোই হলো মূলত বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম এর মূল ভিত্তি।
ফোনটাকে অন্য রুমে বা দূরে রাখুন
বই পড়তে বসলেন আর প্রতি মিনিটে টুংটাং করে ফোনের নোটিফিকেশন বাজতে লাগলো— এমন হলে কিন্তু কস্মিনকালেও অভ্যাস হবে না। তাই বই পড়ার ওই ১৫-২০ মিনিটের জন্য আপনার সবচেয়ে বড় ডিস্ট্রাকশন, অর্থাৎ আপনার স্মার্টফোনটি সাইলেন্ট করে দূরে রেখে দিন।
সফলভাবে রিডিং হ্যাবিট তৈরি করতে এই ফোন থেকে দূরে থাকার বিষয়টি বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম এর একটি প্রধান অনুষঙ্গ।
সবসময় সাথে একটা বই রাখুন
আমরা সারাদিনে জ্যামে আটকে থেকে, লাইনে দাঁড়িয়ে কিংবা কারো জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে প্রচুর সময় নষ্ট করি।
এই ফাঁকা সময়গুলোতে পকেট থেকে ফোন বের না করে ব্যাগে থাকা একটা বই বা ফোনের কোনো ই-বুক রিডার অ্যাপ বের করে ২-৩ পৃষ্ঠা পড়ে ফেলুন। নিজের অলস সময়কে কাজে লাগানোর এই চমৎকার বুদ্ধিটি বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম বইটির মতোই কার্যকরী।
পড়ার জন্য একটা প্রিয় কোণ তৈরি করুন
আপনার ঘরের যেকোনো একটা শান্ত কোণ বেছে নিন, যেখানে আলো-বাতাস ভালো থাকে। সেখানে একটা আরামদায়ক চেয়ার বা কুশন আর আপনার প্রিয় বইগুলো সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন।
পরিবেশ সুন্দর হলে পড়ার প্রতি আলাদা একটা টান তৈরি হয়, যা বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম কে আপনার জীবনের সাথে সহজে মিশিয়ে দিতে সাহায্য করবে।
জোর করে কোনো বই শেষ করার দরকার নেই
একটা বই ২৫-৩০ পৃষ্ঠা পড়ার পরেও যদি দেখেন আপনার একটুও ভালো লাগছে না, তবে জোর করে সেটা পড়ার কোনো দরকার নেই।
জোর করে পড়তে গেলে বই পড়ার প্রতিই আপনার অনীহা চলে আসবে। ওটা রেখে দিয়ে অন্য একটা নতুন বই ধরাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। মনে রাখবেন, বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম শেখায় যে জোর করে কোনো কিছু নিজের ওপর চাপিয়ে দিতে হয় না।
বইয়ের রিভিউ বা বুক গ্রুপে যুক্ত হোন
ফেসবুকে বইপ্রেমীদের অনেক সুন্দর সুন্দর গ্রুপ আছে। এই ধরনের গ্রুপে থাকলে আপনি জানতে পারবেন ইদানীং কোন বইগুলো ভালো চলছে, অন্যরা কী পড়ছে। তাদের রিভিউ দেখে আপনার নিজের ভেতরেও পড়ার একটা দারুণ ইন্সপিরেশন বা অনুপ্রেরণা তৈরি হবে। এই সামাজিক যোগাযোগগুলো কিন্তু পরোক্ষভাবে বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম সহজে রপ্ত করতে সাহায্য করে।
একটা রিডিং ডায়েরি বা Goodreads অ্যাপ ব্যবহার করুন
একটা বই শেষ করার পর একটা ডায়েরিতে বা ‘Goodreads’ অ্যাপে লিখে রাখুন যে বইটি আপনি শেষ করেছেন। বছরে কয়টা বই পড়বেন তার একটা ছোট বা চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন। একটা বই শেষ করার পর যখন সেটা লিস্টে টিক দেবেন, তখন মনে যে আনন্দটা পাবেন, তা আপনাকে পরের বইটা শুরু করতে দারুণ এনার্জি দেবে। তাই নিজের ট্র্যাকিং রাখাও কিন্তু বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম এর অংশ।
পড়ার সময় না পেলে অডিওবুক শুনুন
যদি আপনার ব্যস্ততা অনেক বেশি থাকে বা চোখের সমস্যার কারণে পড়তে কষ্ট হয়, তবে আপনি অডিওবুক (Audiobook) ট্রাই করতে পারেন।
হেডফোন লাগিয়ে হাঁটার সময়, জার্নি করার সময় বা ঘরের টুকটাক কাজ করার সময় বইয়ের অডিও শোনাও কিন্তু জ্ঞান অর্জনের চমৎকার একটা আধুনিক উপায়। আধুনিক যুগে এটিও বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম এর মধ্যে একটি অন্যতম স্মার্ট অপশন।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায়, বই পড়া কোনো জোর খাটানোর বিষয় না, এটা একটা সুন্দর ও মার্জিত লাইফস্টাইল। একটি ভালো বই আপনার জীবনের মোড় যেকোনো সময় ঘুরিয়ে দিতে পারে। ইন্টারনেটে অনেক খোঁজাখুঁজি করে যারা বই পড়ার উপকারিতা ও অভ্যাস গড়ার নিয়ম জানতে চেয়েছিলেন,
আশা করি তারা এই লেখাটি থেকে একটি স্পষ্ট গাইডলাইন পেয়েছেন। তাই আর দেরি না করে, আজই আপনার পছন্দের একটা বই সংগ্রহ করুন আর আজ রাতেই মাত্র ৩ থেকে ৫ পৃষ্ঠা পড়ার মাধ্যমে আপনার চমৎকার একটা নতুন রিডিং জার্নি শুরু করে দিন।
ইভিভিটিভি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়;
comment url