অ-তৎসম শব্দে বাংলা বানানের নিয়মসমূহ কী কী

বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত অ-তৎসম বাংলা বানানের নিয়মসমূহ কী কী এই সম্পর্কে যদি আপনি জানতে চান তাহলে সঠিক জায়গায় এসেছেন। আজকে আমারা আলোচনা করবো অ-তৎসম শব্দে বাংলা বানানের নিয়মসমূহ কী কী সেই সকল বিষয়ে। এখনে প্রাতিটা নিয়ম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অ-তৎসম-শব্দে-বাংলা-বানানের-নিয়মসমূহ-কী-কী
আগে এইসব নিয়ম ছিলো আলাদা তবে বাংলা একাডেমির নতুন নিয়ম এখন প্রচলিত। এই নিয়ম গুলো প্রতিটা শিক্ষার্থীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সূচিপত্র

বাংলা বানানের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা কর

অ-তৎসম-শব্দে-বাংলা-বানানের-নিয়মসমূহ-কী-কী
অ-তৎসম শব্দে বাংলা বানান এর নিয়ম এর আগে আমাদের জনাতে হবে বাংলা বানানের প্রয়োজনীয়তা।

প্রতিটি ভাষায় সুনিয়ন্ত্রিত ও সুশৃঙ্খল বানান পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। বাংলা ভাষা একটি সমৃদ্ধ ভাষা হওয়া সত্ত্বেও এর মধ্যে বিস্তর বানান বৈপরীত্য লক্ষণীয়। এর মূল কারণ ধ্বনি বিকৃতি বা বিকৃত উচ্চারণ এবং শব্দ সাধনের প্রক্রিয়া যেমন-সন্ধি, সমাস, উপসর্গ, অনুসর্গ, প্রত্যয় ইত্যাদি সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকা।


বাংলা ভাষায় যে তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ আছে তন্মধ্যে কেবল তৎসম শব্দের বানান সুনির্দিষ্ট। তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের বানান সুনির্দিষ্ট নয়। যার কারণে একই শব্দের বানানে ভিন্নতা পরিদৃষ্ট হয়।

এ ভিন্নতার কারণে বানানের শৃঙ্খলা যেমন বিনষ্ট হয় তেমনি ভাব ও অর্থ গ্রহণেও জটিলতা দেখা দেয়। বাংলা ভাষায় ই-ঈ, উ- উ, জ-য, ণ-ন, শ-ষ-স এর উচ্চারণ এক হওয়ায় বানানে এগুলোর কোনটির প্রয়োগ সঠিক তা নিরূপণ করা বেশ কঠিন। এ জন্য প্রয়োজন একটি সর্বজনস্বীকৃত বানান পদ্ধতি, কারণ একই শব্দের একাধিক বানান ভাষার জন্য ক্ষতিকর।

বানানের বিভিন্নতা বা বিশৃঙ্খলার মূলে ভাষাতাত্ত্বিক, ধ্বনিতাত্ত্বিক, সামাজিক- যে কারণই থাক না কেন অনেক চলমান ও বর্ধিষ্ণু ভাষাতেই কাল প্রবাহে ধীরে ধীরে বানানের কিছু কিছু পরিবর্তন হতে দেখা যায়।

তখন প্রয়োজন হয় বানানের নিয়ম প্রবর্তন। বাংলা ভাষার ক্ষেত্রে 'বিশ্বভারতী', 'কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়', 'বাংলা একাডেমি' প্রবর্তিত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। ভাষার সৌন্দর্য ও শুদ্ধতা রক্ষার ক্ষেত্রে সুনিয়ন্ত্রিত ও সুশৃঙ্খল বানান পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত অ-তৎসম শব্দে বাংলা বানানের নিয়মসমূহ কী কী?

অ-তৎসম-শব্দে-বাংলা-বানানের-নিয়মসমূহ-কী-কী
এখন আমারা বাংলা একাডেমি প্রবর্তি অ-তৎসম শব্দে বাংলা বানানের নিয়মসমূহ কী কী এই বিষয়ে ১৬ টি নিয়ম আজেক আলোচনা করবো।

বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত অ-তৎসম শব্দে বাংলা বানানের নিয়মসমূহ নিম্নরূপ :

১. ই, ঈ, উ, ঊ সকল অ-তৎসম অর্থাৎ তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র শব্দে কেবল ই এবং উ এবং এদের কারটি কারচিহ্ন ব্যবহৃত হবে। এমনকি স্ত্রীবাচক ও জাতিদেচক তিলেদি শব্দের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

যেমন- গাড়ি, ছুরি, দাড়ি, বাড়ি, ভাবি, শাড়ি, তরকারি, বোমাবাজি, দাবি, হাতি, বেশি, খুশি, হিজরি, আরবি, ফারসি, ফরাসি, বাঙালি, ইংরেজি, জাপানি, জার্মানি, ইরানি, হিন্দি, সিন্ধি, ফিরিঙ্গি, সিঙ্গি, চুরি, টুপি, সরকারি, মালি, পাগলামি, পাগলি, দিঘি, দিদি, বুড়ি, ছুঁড়ি, নিচে, নিচু, ইমান, চুন, পুর, ভুখা, মুলা, পুজো, উনিশ, উনচল্লিশ। কিরামতি, রেশমি, পশমি, পাখি, ফরিয়াদি পআিসাফিরিতি- আইরিন, তুড়ি, টাকুমির, নানি, দাদি, বিবি, চাচি, মাসি, পিসি,


অনুরূপভাবে আলি প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ই-কার হবে। যেমন- খেয়ালি, বর্ণালি, মিতালি, সোনালি, হেঁয়ালি। তবে কোন কোন স্ত্রীবাচক শব্দের শেষে ঈ-কার দেয়া যেতে পারে। যেমন- রাণী, পরী, গাভী।

সর্বনাম পদরূপে এবং বিশেষণ ও ক্রিয়া-বিশেষণ যাদয়তে কাঁপে দয়িকার দিয়ে লেখা হবে। যেমন- কী করছ? কী পড়ো? কী গেলে? কী আর বলব? কী জানি? কী যে করি! তোমার কী? এটা কী বই? কী করে যাব? কী বুদ্ধি নিয়ে এসেছিল? কী আনন্দ! কী দুরাশা!

অন্য ক্ষেত্রে অব্যয় পদরূপে ই কার দিয়ে কি শব্দটি লেখা হবে। ।। যেমন- তুমিও কি যাবে? সে কি এসেছিল? কি বাংলা কি

ইংরেজি উভয় ভাষায় তিনি পারদর্শী।। পদাশ্রিত নির্দেশক টি-তে ই কার হবে। যেমন- ছেলেটি, লোকটি, বইটি।

২. ক্ষ- ক্ষীর, ক্ষুর ও ক্ষেত শব্দ খির ও খেত না লিখে সংস্কৃত মূল অনুসরণে ক্ষীর, ক্ষুর ও ক্ষেতই লেখা হবে। তবে অ-তৎসম শব্দ খুদ, খুদে, খুর, খেপা, খিদে ইত্যাদি লেখা হবে।

৩. মূর্ধন্য ণ, দন্ত্য ন - তৎসম শব্দের বানানে ণ, ন ও ও য়ের নিয়মেও শুদ্ধতা রক্ষা করা হবে। এছাড়া তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র কোন শব্দের বানানে ণত্ব-বিধি মানা হবে না অর্থাৎ ণ ব্যবহার করা হবে না। যেমন- অঘ্রান, ইরান, কান, কোরান, গুনতি, গোনা, ঝরনা, ধরন, পরান, সোনা, হর্ন।

তৎসম শব্দে ট ঠ ড ঢ-য়ের পূর্বে ণ হয়, যেমন- কণ্টক, লুণ্ঠন, প্রচণ্ড। কিন্তু তৎসম ছাড়া অন্য সকল শব্দের ক্ষেত্রে ট ঠ ড ঢ-য়ের আগে কেবল ন হবে।

৪. তৎসম শব্দের বানানে শ, ষ, স- য়ের নিয়ম মানতে হবে। এছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে সংস্কৃতের ষত্ব বিধি প্রযোজ্য হবে না।

বিদেশি মূল শব্দে শ, স য়ের যে প্রতিষঙ্গী বর্ণ বা ধ্বনি রয়েছে বাংলা বানানে তাই ব্যবহার করতে হবে। যেমন- সাল (বছর) সন, হিসাব, শহর, শরবত, শামিয়ানা, শখ, শৌখিন, মসলা, জিনিস, আপস, সাদা, পোশাক, বেহেশত, নাশতা, কিশমিশ, শরম, শয়তান, স্মার্ট, স্পার্ট।

তবে পুলিস শব্দটি ব্যতিক্রমেরূপে শ দিয়ে লেখা হবে। তৎসম শব্দে ট ঠ বর্ণের পূর্বে ষ হয়। যেমন- বৃষ্টি, দুষ্ট, নিষ্ঠা, পৃষ্ঠা। কিন্তু বিদেশি শব্দে। এ ক্ষেত্রে স হবে। যেমন-স্টল, স্টাইল, স্টিমার, স্টুডিও, স্টেশন, স্টোর, স্ট্রিট। ৫. আরবি-ফারসি শব্দে 'স', 'সিন', 'সোয়াদ' বর্ণগুলোর প্রতিবর্ণরূপে স্ এবং 'শিন; এর প্রতিবর্ণ-রূপে শ ব্যবহৃত হবে।

যেমন- সালাম, তসলিম, ইসলাম, মুসলিম, মুসলমান, সালাত, এশা, শাবান (হিজরি মাস), শাওয়াল (হিজরি মাস), বেহেশত। এক্ষেত্রে স এর পরিবর্তে ছ লেখার কিছু কিছু প্রবণতা দেখা যায়, তা ঠিক নয়।

তবে যেখানে বাংলা বিদেশি শব্দের বানান সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়েছে স ছ- য়ের রূপ লাভ করেছে সেখানে ছ ব্যবহার করতে হবে। যেমন- পছন্দ, মিছিল, মিছরি, তছনছ।

৬. ইংরেজি ও ইংরেজির মাধ্যমে আগত বিদেশি ও বর্ণ বা ধ্বনির জন্য স এবং sh-sion -ssion, tion প্রভৃতি বর্ণগুচ্ছ বা ধ্বনির জন্য শ ব্যবহৃত হবে। তবে question ইত্যাদি শব্দের বানান অন্যরূপ: যেমন- কোএসচহ্ন হতে পারে।

৭. জ, য- বাংলায় প্রচলিত বিদেশি শব্দ সাধারণভাবে বাংলা ভাষায় ধ্বনি পদ্ধতি অনুযায়ী লিখতে হবে। যেমন- কাগজ, জাহাজ, হুকুম, হাসপাতাল, টেবিল, পুলিশ, ফিরিস্তি, হাজার, বাজার, জুলুম, জেব্রা। কিন্তু ইসলাম ধর্ম সংক্রান্ত কয়েকটি বিশেষ শব্দে 'যা' 'যাল' 'যোয়াদ' 'যোই' রয়েছে, যার ধ্বনি ইংরেজি z এর মত, সে ক্ষেত্রে আরবি বর্ণগুলোর জন্য য ব্যবহৃত হবে।

যেমন- আযান, এযিন, ওযু, কাযা, নামায, মুয়াযযিন, যোহর, রমযান। তবে কেউ ইচ্ছে করলে এ ক্ষেত্রে য- এর পরিবর্তে জ ব্যবহার করতে পারেন। জাদু, জোয়াল, জো ইত্যাদি শব্দ জ দিয়ে লেখা বাঞ্ছনীয়।

৮. এ অ্যা- বাংলায় এ বা কে- কার দ্বারা অবিকৃত এ এবং বিকৃত বা বাঁকা অ্যা এই উভয় উচ্চারণ বা ধ্বনি নিষ্পন্ন হয়। তৎসম বা সংস্কৃত ব্যাস, ব্যায়াম, ব্যাহত, ব্যাপ্ত, জ্যামিতি ইত্যাদি শব্দের বানান অনুরূপভাবে লেখার নিয়ম রয়েছে।

অনুরূপ তৎসম এবং বিদেশি শব্দ ছাড়া অন্য সকল বানানে অবিকৃত বিকৃত নির্বিশেষে এ বা -েকার হবে। যেমন- দেখে, দেখি, যেন, জেনো, কেন, কেনো (ক্রয় করো), গেল, গেলে, গেছে। বিদেশি শব্দে, অবিকৃত উচ্চারণের ক্ষেত্রে এ বা -েকার ব্যবহৃত হবে। যেমন- এন্ড, নেট, বেড, শেড।

বিদেশি শব্দে বিকৃত বা বাঁকা উচ্চারণে অ্যা বা্যা ব্যবহৃত হবে। যেমন- অ্যান্ড, অ্যাবসার্ড, অ্যাসিড, ক্যাসেট, ব্যাক, ম্যানেজার, হ্যাট।


তবে কিছু তদ্ভব এবং বিশেষভাবে দেশি শব্দ রয়েছে যার ্যা-কার যুক্ত রূপ বহুল পরিচিত। যেমন- ব্যাঙ, চ্যাঙ, ল্যাঙ, ল্যাঠা। এসব শব্দ্যো অপরিবর্তিত থাকবে।

৯. ও- বাংলায় অ-কারের উচ্চারণ বহুক্ষেত্রে ও-কার হয়। এই উচ্চারণকে লিখিত রূপ দেয়ার জন্য ক্রিয়াপদের বেশ কয়েকটি রূপের এবং কিছু বিশেষণ ও অব্যয় পদের শেষে কখনো আদিতে অনেকে যথেচ্ছাভাবে াে-কার ব্যবহার করছেন।

যেমন- ছিলো, করলো, বলতো, কোরছে, হোলে, যেনো, কোনো (কী জন্য) ইত্যাদি ও কারযুক্ত বানানে লেখা হচ্ছে। বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া অনুরূপ 1ে- কার ব্যবহার হবে না। বিশেষ ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে।

এমন অনুজ্ঞাবাচক ক্রিয়াপদ এবং বিশেষণ ও অব্যয় পদ বা অন্য শব্দ যার শেষে যে কার যুক্ত না করলে অর্থ অনুধাবনে ভ্রান্তি বা বিলম্ব ঘটতে পারে। যেমন- ধরো, চড়ো, বলো, কোলে, জেনো, কেনো (ক্রয় করো), করানো, খাওয়ানো, শেখানো, করাতো, মতো, ভালো, আলো, কালো, হলো।

১০. ং, ঙ তৎসম শব্দং এবং ও যেখানে যেমন ব্যবহার্য ও ব্যাকরণসম্মত সেভাবে ব্যবহার করতে হবে। তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র শব্দের বানানের ক্ষেত্রে ঐ নিয়মের বাধ্যবাধতা নেই। তবে এক্ষেত্রে প্রত্যয় ও বিভক্তিহীন শব্দের শেষে সাধারণভাবে অনুস্বার (ং) ব্যবহৃত হবে। যেমন- রং, সং, পালং, ঢং, রাং, গাং।

তবে শব্দে অব্যয় বা বিভক্তি যুক্ত হলে কিংবা পদের মধ্যে বা শেষে স্বরচিহ্ন থাকলেও ঙ হবে। যেমন- বাঙালি, ভাঙা, রঙিন। বাংলা ও বাংলাদেশ শব্দ দুটিং দিয়ে লিখতে হবে। বাংলাদেশের সংবিধানে তাই করা হয়েছে।

১১. রেফ (১) ও দ্বিত্ব তৎসম শব্দের অনুরূপ বানানের ক্ষেত্রে যেমন পূর্বে বলা হয়েছে তেমনি অ- তৎসম শব্দেও রেফের পর ব্যঞ্জন বর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন- কর্জ, কোর্তা, মর্দ, সর্দার।

১২. বিসর্গ- শব্দের শেষে বিসর্গ (৪) থাকবে না। যেমন- কার্যত, মূলত, প্রধানত, প্রয়াত, বস্তুত, ক্রমশ, প্রায়শ। পদ্‌মধ্যস্থ বিসর্গ থাকবে। তবে অভিধানসিদ্ধ হলে পদমধ্যস্থ বিসর্গ বর্জনীয়। যেমন- দুস্থ, নিস্পৃহ।

১৩. আনো প্রত্যয়ান্ত শব্দ- আনো প্রত্যয়ান্তে শব্দের শেষে াে-কার যুক্ত করা হবে। যেমন- করানো, বলানো, খাওয়ানো, পাঠানো, নামানো, শোয়ানো।

১৪. বিদেশি শব্দ ও যুক্তবর্ণ বাংলায় বিদেশি শব্দের বানানে যুক্তবর্ণকে বিশ্লিষ্ট করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। যুক্তবর্ণের সুবিধা হচ্ছে তা উচ্চারণের দ্বিধা দূর করে। তাই ব্যাপকভাবে বিদেশি শব্দের বানানে যুক্তবর্ণ বিশ্লিষ্ট করা অর্থাৎ ভেঙে দেয়া উচিত নয়।

শব্দের আদিতে তো অনুরূপ বিশ্লেষন সম্ভবই নয়। যেমন- স্টেশন, স্ট্রিক, স্প্রিং। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশ্লেষণ করা যায়। যেমন- সেপ্টেম্বর, অকটোবর, মার্কস, শেকসিপিয়ার, ইসরাফিল।

১৫. হস্ চিহ্ন- হস্ চিহ্ন যথাসম্ভব বর্জন করা হবে। যেমন- কাত, মদ, চট, ফটফট, কলকল, ঝরঝর, তছনছ, জজ, টন, হুক, চেক, ডিশ, করলেন, বললেন, শাল, টাক, টক। তবে যদি ভুল উচ্চারণের সম্ভাবনা থাকে তাহলে হস্ চিহ্ন ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন- উহ্, যাহ্, আহ্।


১৬. ঊর্ধ্ব-কমা- উর্ধ্ব কমা যথাসম্ভব বর্জন করা হবে। যেমন- করল (= করিল) ধরত, বলে (= বলিয়া), হয়ে, দু'জন, চারশ, চাল (চাউল), আল (আইল)।

লেখকের মন্তব্য

আমরা এতক্ষন আলোচনা করলাম বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত অ-তৎসম শব্দে বাংলা বানানের নিয়ম সমূহ কী কী এই বিষয়ে তবে এই বিষয়ে যদি আপনি কোন কিছু জানতে চান তহলে অবশ্যয় কমেন্ট করে জানাবেন। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে আপনি আপনার বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আপনার সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে শেয়ার করুন।

এরকম আরো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষামূলক তথ্য পেতে বা অন্যান্য বিষয়ে তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি প্রতিদিন ভিজিট করুন। অথবা আরো নতুন নতুন আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ভিজিট করুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ইভিভিটিভি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়;

comment url