সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম | সুবিধা ও অসুবিধা
আপনি যদি ভেবে থাকেন সোনালী ব্যাংকে একাউন্ট খুলবেন তাহলে এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন কারণ এখানে সোনালী ব্যাংকের সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম এবং সুবিধা ও অসুবিধা বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আর্টিকেলটি পড়ে আপনি নির্ভয়ে একটি সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবেন।
আপনি যদি সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম এবং সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে অবশ্যই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়বেন।
সূচিপত্র
ভূমিকা
বর্তমানে আমাদের আর্থিক সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকে একাউন্ট তৈরি করতে হয়। এবং বেশি টাকা লেনদেন করতে এবং সেখানে টাকা ভালোভাবে জমা রাখার জন্য অনেক ব্যাংক একাউন্টের প্রয়োজন হয়ে থাকে। এবং আমাদের অনেক টাকাকে যদি আমরা সুরক্ষিত রাখতে চাই তাহলে অবশ্যই একটি ব্যাংক একাউন্টের প্রয়োজন। এবং সে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে গেলে তার সুবিধা অসুবিধা দেখাও আমাদের খুবই প্রয়োজন।
কারণ আমাদের দেশে অনেক ধরনের ব্যাংক রয়েছে একেক ব্যাংক একেক রকম সুবিধা দিয়ে থাকে তাই আমরা যেখানে বেশি সুবিধা পাব আমরা সেখানেই একাউন্ট তৈরি করব। তাহলে এর একাউন্ট করার নিয়ম এবং সরাসরি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট করার সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে আপনার জানা উচিত। চলুন তাহলে জেনে নেই এর বিস্তারিত।
সোনালী ব্যাংকে একাউন্ট করার সুবিধা
- ফ্রী চেকবুক
- কম টাকায় একাউন্ট একটিভ
- মোবাইল ব্যাংকিং বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং
- রেমিট্যান্স ডিপোজিট
- অ্যাপস ব্যবহার করে আরো অনেক সুবিধা
- সেভিংস একাউন্টে অনেক বেশি হারে ইন্টারেস্ট
আপনি যদি সোনালী ব্যাংক একাউন্ট তৈরি করেন তাহলে আপনি উপরোক্ত কয়েকটি সুবিধা পাবেন। এবং এই সুবিধা গুলি অন্যান্য ব্যাংক নাও দিতে পারে একক ব্যাংকের সুবিধা এক এক রকম।
সোনালী ব্যাংকে একাউন্ট করার অসুবিধা
সোনালী ব্যাংকের তেমন কোন অসুবিধা নেই বললেই চলে। বর্তমানের সব ব্যাংকের এ প্রায় কম বেশি অসুবিধা আছে। তাই নির্দিষ্ট করে এই ব্যাংকের অসুবিধা সম্পর্কে বলা যাচ্ছে না। তাই আপনি যদি এই ব্যাংকের অসুবিধা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আপনি ইউটিউবে অথবা গুগলে বিস্তারিত দেখে নিতে পারেন।
এবং অন্যান্য ব্যাংকগুলো থেকে খোঁজ নিবেন যে কোন ব্যাংক কি ধরনের ছবি দিচ্ছে। কোন ব্যাংক কোন ধরনের সুবিধা দিচ্ছে তার উপর ডিপেন্ড করবে এই ব্যাংকে কি কি অসুবিধা রয়েছে। কি কি অসুবিধা রয়েছে সেটি যাচাই করার দায়িত্ব আপনার।
সোনালী ব্যাংক একাউন্ট তৈরি করার জন্য প্রয়োজনে কাগজপত্র
- যে ব্যক্তি একাউন্ট খুলতে চায় সে ব্যক্তির দুই ২ কপি পাসপোর্ট ছবি
- জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্ম নিবন্ধন
- সক্রিয় মোবাইল নাম্বার
- নমিনির নাম বা নমিনির জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্ম নিবন্ধন
- ৫০০ টাকা অ্যাকাউন্ট একটিভ করার জন্য / সময়ের সাথে সাথে এই চার্জটিও পরিবর্তন হতে পারে।
সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম
আপনি যদি সোনালী ব্যাংকে একাউন্ট তৈরি করতে চান তাহলে উপরোক্ত যে কাগজ গুলির কথা বললাম সেই কাগজ খুলে নিয়ে আপনাকে সোনালী ব্যাংকের যাইতে হবে। এবং সেখানে আপনি ম্যানেজারের কাছে অথবা সেখানে কর্মীদের কাছে গিয়ে। বলবেন আপনি একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে চান। তাহলে তারা আপনাকে একটি ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য সাহায্য করবে।
আরো পড়ুনঃ অন্যদেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে
ব্যাংক একাউন্ট মূলত কয়েক ধরনের রয়েছে আপনি এখান থেকে যে একাউন্টটি ভালো রাখে সেই একাউন্টে তৈরি করতে পারেন। বর্তমানে ডিজিটাল চোখ আপনি জানেন এই জন্য আপনি চাইলে ঘরে বসে সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারেন খুব সহজে মাত্র পাঁচ মিনিটে।
সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খুলতে কত টাকা লাগে
সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য কোন টাকার প্রয়োজন হয় না। তবে ব্যাংক একাউন্ট থেকে একটিভ করার জন্য আপনার একাউন্টে কিছু পরিমাণ টাকা ডিপোজিট করে রাখতে। সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা আপনি জমা রাখতে পারেন।
তবে আপনি চাইলে আরো অনেক বেশি টাকা ডিপোজিট করে রাখতে পারেন। একাউন্ট খোলার সময় ইচ্ছামতন টাকা ডিপোজিট করা যায়। তবে অ্যাকাউন্ট খোলার সময় কিছু কিছু ক্ষেত্রে ১,৫০০ টাকাও লাগতে পারে। আবার কখনো কখনো মাত্র ১০০ টাকা দিয়েই হয়ে যায়।
একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি
একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আপনি যদি জেনে রাখেন তাহলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে গিয়ে আপনাকে কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না। একাউন্ট খোলার জন্য নিম্নলিখিত জিনিসগুলোর প্রয়োজন:
- প্রাথমিক জমা: সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা।
- ছবি: পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি।
- নমিনির তথ্য: নমিনের ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট সাইজের একটি ছবি।
- সার্টিফিকেট: ব্যবহারকারীর শিক্ষা যোগ্যতা থাকলে সর্বশেষ সার্টিফিকেট। (অপশনাল)
- NID: ব্যবহারকারীর ১ কপি জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি।
- ঠিকানা: বর্তমান ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য বিদ্যুৎ বিল অথবা অন্যান্য যে কোন বিলের ফটোকপি।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সময় স্থান ভেদে প্রাথমিক জমা কম বা বেশি হতে পারে।
অনলাইনে সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম
বর্তমান সময়ে অনলাইনে সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলা যায়। সোনালী ব্যাংকের ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে ঘরে বসেই অনলাইনে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবেন। এখন ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য সরাসরি শাখায় যাওয়ার দরকার নেই; শুধু Sonali eSheba এত ব্যবহার করে সহজেই একাউন্ট তৈরি করা যায়। চলুন তাহলে আমরা বেশি দেরি না করে অনলাইনে সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম জেনে নিই। খুলতে অনলাইনে ঘরে বসে সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খুলতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
Sonali eSheba অ্যাপ ডাউনলোড করুন
প্রথমে আপনার Android বা IPhone-এর Google Play Store বা App Store প্রবেশ করুন। এবং সার্চ বক্সে ক্লিক করেন Sonali eSheba লিখে সার্চ করুন। সেখান থেকে সোনালী ব্যাংকের অফিসিয়াল অ্যাপস ”Sonali eSheba" অ্যাপ ডাউনলোড করুন। এই অ্যাপস টি ব্যবহার করে সারা দেশের নাগরিক ডিজিটাল ভাবে ঘরে বসেই ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবেন।
অ্যাপ ওপেন করুন “ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলুন” সিলেক্ট করুন
- Sonali eSheba অ্যাপস টি ওপেন করুন।
- মেনু থেকে “Bank Account Open" বা “ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলুন “অপশনটিতে ক্লিক করুন।
- আপনি কোন ধরনের অ্যাকাউন্ট খুলবেন (সেভিংস, স্টুডেন্ট বা অন্যান্য) নির্বাচন করুন।
মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করুন
এখানে আপনাকে আপনার মোবাইল নাম্বারটি ভেরিফাই করতে হবে।
- আপনার নাম্বার দিন।
- আপনি যে মোবাইল নাম্বার দিয়েছেন সেই মোবাইল নাম্বারে ওটিপি (OTP) আসলে ও ওটিপির জায়গায় কোড গুলো বসিয়ে ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ করুন।
দ্বিতীয় ধাপ এই ধাপে আপনাকে আপনার মোবাইল নাম্বারটি ভেরিফাই করে নিতে হয়।
নিজের তথ্য ও ডকুমেন্ট আপলোড করুন
মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ হলে আপনার নিজের তথ্য ও ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে।
- নিজের পরিচয় পত্রের তথ্য দিন।
- জাতীয় পরিচয় পত্র (NID)/জন্ম নিবন্ধন/পাসপোর্ট তথ্য দিন।
- ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয় পত্রের ছবি আপলোড করুন।
এটি আপনার KYC (Know Your Customer) প্রক্রিয়ার একটি অংশ।
ছবি ও নমিনির তথ্য যুক্ত করুন
আপনি যাকে নমিনি করতে চান তার তথ্য এখানে আপলোড করতে হবে। আপনি নমনীয় আপনার বাবা-মা অথবা আপনার স্বামী-স্ত্রীকে করতে পারেন।
নমিনি থাকলে ভবিষ্যতে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা পাওয়া যায়। আর অ্যাকাউন্ট খোলার সময় নমিনি অবশ্যই প্রয়োজন।
আরো পড়ুন: ব্যাংক কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি
ফরম জমা ও শাখায় যাচাই
এটি অ্যাকাউন্ট খোলার শেষ ধাপ এ ধাপে আপনাকে ফর্ম জমা ও শাখায় যাচাই করতে হবে। অনলাইনে সকল ধাপ সম্পন্ন হলে Submit করুন এবং অটোমেটিক ভাবে আবেদনটি যাচাইয়ের জন্য জমা হবে। কখনো কখনো দেখা যায় আপনাকে নির্দিষ্ট সময়ের ভিতর শাখায় যেতে বলবে আপনার একাউন্টে সম্পূর্ণভাবে ভেরিফাই করার জন্য। যেমন আপনি যে তথ্যগুলো প্রদান করেছেন সে তথ্যগুলো যাচাই করার জন্য।
অনলাইনে সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার সংক্ষিপ্ত সারাংশ
- অনলাইনে সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হলে
- Sonali eSheba অ্যাপস ইনস্টল করুন।
- “ব্যাংক একাউন্ট খোলো” এ ক্লিক করুন।
- মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করুন।
- তথ্য ও ডকুমেন্ট প্রদান করুন।
- ছবি ও নমিনির তথ্য যুক্ত করুন।
- ফরম Submit করে আবেদন শেষ করুন।
উপরোক্ত (অনলাইনে সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম) এই তথ্যগুলো অনুসরণ করলে সহজেই যে কেউ ঘরে বসেই সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারেন। তবে সর্বশেষ ভিত্তিকেশনের জন্য অবশ্যই নিকটস্থ কোন শাখায় অথবা কোন পয়েন্টে যেতে হবে।
সোনালী ব্যাংক একাউন্টের ধরুন
অ্যাকাউন্ট খোলার পূর্বে আপনার জানা উচিত আপনি কোন ধরনের অ্যাকাউন্ট খুলছেন। সোনালী ব্যাংক একাউন্ট ধরন জানলে আপনি সহজেই সেই ব্যাঙ্কস অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন আপনার সুবিধা অনুযায়ী। সোনালী ব্যাংকে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ “স্কুল ব্যাংকিং” “স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট” সহ বিভিন্ন ধরনের একাউন্ট রয়েছে নিচে সেই সকল তথ্য দেওয়া হলো:
- স্কুল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট (School Banking): ছয় বছর থেকে ১৮ এর কম বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য এই সুবিধাটি। মাত্র ১০০ টাকা জমা দিলেই একাউন্ট খোলা যায় এতে ফ্রি ডেবিট কার্ড ও এসএমএস এলার্ট সুবিধা পাওয়া যায়। ১৮ বছর পূর্ণ হলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাধারণ সঞ্চয়ী হিসাবে রূপান্তরিত হয়।
- স্টুডেন্ট একাউন্ট: যাদের বয়স ১৮ বা তার নিচে আপনারা চাইলেই স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবেন। যারা কলেজে অথবা বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা করেন তাদের জন্য এই সুবিধাটি। শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। স্টুডেন্ট একাউন্টে বিভিন্ন ধরনের স্টুডেন্টদের জন্য সুবিধা পাওয়া যায়। যেমন: কলেজে ফেস জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ছাড় পাওয়া যায়। এরকম আরো অনেক সুবিধা পাওয়া যায় স্টুডেন্ট একাউন্ট এর মধ্যে। তবে এই একাউন্টের লেনদেন সীমিত।
- সেভিংস একাউন্ট: সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় সেভিংস একাউন্ট। বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিক সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। এখানে একাউন্ট খোলার জন্য সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা জমা করতে হয়। এই টাকাটি আপনার ব্যাংক একাউন্টে জমা থাকে। পরবর্তীতে চাইলেই আপনি এটি খরচ করতে পারেন। বর্তমানে সেভিংস একাউন্টে ৫.০০% থেকে ৬.৫০% পর্যন্ত সুদ পাওয়া যায়।
- কারেন্ট একাউন্ট: মূলত যারা বড় ব্যবসায়ী রয়েছেন এবং প্রতিষ্ঠানের জন্য এই অ্যাকাউন্টটি। যেখানে লেনদেনের কোন সীমাবদ্ধ থাকে না এবং সাধারণত কোন সুদ দেওয়া হয় না।
আরো পড়ুন: নারী শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে সংলাপ
বিশেষ সঞ্চয় প্রকল্প
সোনালী ব্যাংক একাউন্টে দুই ধরনের বিশেষ সঞ্চয় প্রকল্প রয়েছে যেমন DPS এবং FDR। এখানে DPS হলো মাসিক কিস্তিতে দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় (যেমন: বিবাহ সঞ্চয়ী স্কিম, অবসরে যাওয়া স্কিম)। এবং RDR হলো নির্দিষ্ট মেয়াদে এককালীন টাকা জমা রাখার জন্য।
আমাদের শেষ কথা
আমরা এতক্ষণ জানলাম “সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম” এবং কিভাবে একটি সোনালী ব্যাংকের একাউন্ট খোলা যায় এবং সোনালী ব্যাংকের একাউন্ট তৈরি করার জন্য কি কি প্রয়োজন। এবং সোনালী ব্যাংকের সুবিধা গুলো কি কি সে সম্পর্কে। এ বিষয়ে যদি আপনার কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিবেন কারণ আমরা প্রত্যেকের কমেন্টের রিপ্লাই করি। আশা করি আপনি এই (সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম) বিষয়ে সমস্ত তথ্য ও ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। যদি কোন সাজেস্ট থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে মন্তব্য করুন ক্লিক করে আপনার মূল্যবান মতামত জানিয়ে দিন।
Call To Action
আর্টিকেলটি আপনার উপকারে আসলে আর্টিকেলটি শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সঙ্গে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও শেয়ার করুন যাতে অন্যরা এ বিষয়ে জানতে পারে। এরকম নিত্য নতুন তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইট প্রতিদিন ভিজিট করুন। আপনার কোন মতামত থাকলে নিচে কমেন্টে আপনার মতামতটি জানিয়ে দিন।


ইভিভিটিভি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়;
comment url