বাংলা ভাষার বিভিন্ন রূপ ও রীতি । বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে
কোন এক সকালে লাইব্রেরীর নীরব কনে বসে রিয়া ভাবছিল বাংলা ভাষার বিভিন্ন রূপ ও রীতি কত বৈচিত্র্যময়! তার শিক্ষক বলেছিলেন, আজ জানবে বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে এবং কিভাবে তা ধীরে ধীরে আজকের রূপ পেয়েছে। আর সেই কৌতুহল থেকেই শুরু হলো তার ভাষার ইতিহাস জানার এক নতুন যাত্রা।
আপনি যদি বাংলা ভাষার বিভিন্ন রূপ ও নীতি এবং বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে তার বিস্তারিত জানতে চান তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন।EVVTV
ভূমিকা
যদি কেউ এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়েন তাহলে বাংলা ভাষার বিভিন্ন রোগ ও রীতি সম্পর্কে বলতে পারবে; এছাড়াও বাংলা ভাষার তথ্য ও লেখ রূপ সম্পর্কে ধারনা ব্যক্ত করতে পারবে। আঞ্চলিক ও সামাজিক উপভাষা সম্পর্কে আলোচনা করতে পারবে।
এছাড়াও আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারবেন এই আর্টিকেলটি সম্পন্ন করলে। তাই মনোযোগ সহকারে পড়তে থাকুন। এছাড়াও আরো জানতে পারবেন বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষা সম্পর্কে আরো অনেক তথ্য।
বাংলা ভাষার বিভিন্ন রূপ ও রীতি
পৃথিবীর প্রতিটি সমৃদ্ধ ভাষারই প্রধান দুটি রূপ বিদ্যমান। এর একটি হলো তথ্যরূপ এবং অপরটি লেখ্য রূপ। বাংলা ভাষারীতিতেও এ দুটি রূপ রয়েছে। বাঙালির মুখের ভাষা ও লেখার ভাষার মধ্যে রয়েছে ভিন্নতা অঞ্চল ফেলে বাংলা ভাষা নানা রূপ ধারণ করেছে, সেগুলোকে আমরা আঞ্চলিক উপভাষা হিসেবে আখ্যায়িত করি।
আবার অর্থ সামাজিক স্তরবিন্যাস, লৈঙ্গিক পার্থক্য, শিক্ষাগত ভিন্নতা, সংস্কৃতিক ঐতিহ্য ইত্যাদি নানা কারণে সামাজিক উপভাষার সৃষ্টি হয়। সমাজে উচ্চবিত্ত মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্তের ভাষা যেমন এক নয়, তেমনি অশিক্ষিত ধ্বনি আর শিক্ষিত আভিজাত ধ্বনির ভাষার মধ্যে রয়েছে ভিন্নতা। তবে একেক অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষা একেক রকম হলেও লেখার ক্ষেত্রে সবাই অভিন্ন ভাষারীতি ব্যবহার করে থাকে। নিজের সারণির মাধ্যমে এই স্পষ্ট হবে:
1. কথ্য
- আঞ্চলিক উপভাষা
- সমাজ উপভাষা
- প্রমিত চলিত কথ্য ভাষা
2. লেখ্য
- সাধু রীতি
- প্রমিত লেখ্য রীতি
কথ্য ভাষা
মানুষ কথোপকথনে যে ভাষা ব্যবহার করে তাই কথ্য ভাষা। অনেকে এই কথ্য ভাষাকে আঞ্চলিক বা উপভাষা হিসেবেও আখ্যায়িত করে থাকেন। বাংলা ভাষাভাষীদের কথ্য ভাষার মধ্যে রয়েছে নানা বৈচিত্র্য। অঞ্চল, ট্রেনিং ও পরিবেশ ভেদে এ ভাষা নানা রূপ ধারণ করে। সে বিচারে কত ভাষাকে আঞ্চলিক, সামাজিক ও প্রমিত-এ তিন শ্রেণীতে বিভক্ত করা যায়।
আঞ্চলিক উপভাষা
আঞ্চলিক উপভাষা হলো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কথোপকথনে ব্যবহৃত ভাষা। অর্থাৎ একটি বৃহৎ ভাষা-অঞ্চলে ব্যবহৃত ভাষার আঞ্চলিক রূপ। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে। যেমন-নোয়াখালী, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, দিনাজপুর অঞ্চলের মানুষের কথোপকথনের ভাষাগুলোকে আমরা আঞ্চলিক উপভাষা হিসেবে আখ্যায়িত করতে পারি।
তবে, ভাষা অঞ্চল ভেদে ভিন্ন হলেও স্বীয় অঞ্চলের মানুষের কাছে তা পরস্পর বোধগম্য। পরস্পর বোধগম্যতা হারালে তাকে আর আঞ্চলিক উপভাষা বলা যাবে না, তা হয়ে যাবে ভিন্ন ভাষা।‘একজন মানুষের দুটি ছেলে ছিল’বাক্যটিকে বিভিন্ন অঞ্চলের উপভাষায় দেখানো হলো-
- নোয়াখালী: একজন মাইনসের দুগা হোলা আছিল।
- বগুড়া : একঝনের দুই বেটাছৈল আছিল।
- ময়মনসিংহ : একজনের দুই পুৎ আছিল।
- চট্টগ্রাম : এগ্গুয়া মানস্যের দুয়া পোয়া আছিল।
- বরিশাল : একজন মাইনসের দুইডা পোলা আছিল।
- সিলেট : একজন মানুশের দুই পোয়া আছিলো।
সমাজ উপভাষা
সামাজিক শ্রেণীভেদের কারণে যে উপভাষা সৃষ্টি হয় তাকে সমাজ উপভাষা বলে। অর্থ সামাজিক অবস্থা, শিক্ষা, নি-তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য, লিঙ্গ ইত্যাদি কারণে সমাজ উপভাষা সৃষ্টি হয়। কাজে অবস্থানরত বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সামাজিক অবস্থান ও কর্ম প্রক্রিয়াকে ঘিরে এক ধরনের ভাষিক আবহ তৈরি হয়।
আরো পড়ুন: নারী শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে সংলাপ
তাই-ই এক পর্যায়ে সমাজ উপভাষায় পরিণত হয়। উচ্চবিত্ত, নিম্নবিত্ত এই তিন আর্থিক শ্রেণীর মত তরুণ সমাজ, প্রবীণ সমাজ, নারী সমাজ, উকিল সমাজ, শিক্ষক সমাজ, ডাক্তার সমাজ, শিক্ষিত সমাজ কিংবা অশিক্ষিত ও সমাজে এই সমাজ উপভাষা লক্ষ্য করা যায়।
বর্তমানে শহরকেন্দ্রিক শিক্ষিত শ্রেণীর মানুষের মধ্যে এক ধরনের মিশ্র ভাষার ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়, নির্দিষ্ট কোন ভৌগোলিক উপভাষা নয়, শহরকেন্দ্রিক একটি সমাজ উপভাষা। এক্ষেত্রে স্যাটেলাইট টেলিভিশন রিয়েলিটি শো-এর উপস্থাপক-উপস্থাপিকা এফএম রেডিওর এবং কিছু নিরীক্ষাধর্মী তরুণ নাট্যকার বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন।
সামাজিক স্তর ভেদে সমাজ উপভাষায় একই শব্দের বিভিন্ন প্রতিশব্দ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন ভক্ষণ, আহার, খাওয়া, গেলা, ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার। আবার ইন্তেকাল, দেহত্যাগ, ওফাত, মারা যাওয়া, এক্সপায়ার শব্দগুলো সামাজিক স্তরভেদেরি-ই প্রমাণ।
প্রমিত চলিত কথ্য ভাষা
শিক্ষিত সমাজে ব্যবহৃত মার্জিত কথ্য ভাষার মান ও স্বীকৃতি রূপ হল প্রমিত চলিত কধ্য ভাষা। এটি হল সকলের বোধগম্য একটি সৃষ্ট কথ্য ভাষা। দেশের শিষ্ট ও শিক্ষিত মানুষেরা তাঁদের অর্থ-সামাজিক কাজকর্ম, কথোপকথনে এই ভাষা ব্যবহার করে থাকেন।
প্রমিত লেখ্য ভাষারীতির সাথে এ ভাষার তেমন কোন পার্থক্য নেই। এটিকে লেখ্য প্রমিতরীতির কথ্য রূপও বলা যেতে পারে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ পারিবারিক পরিমণ্ডলে সাধারণত আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে কিন্তু জীবন ও জীবিকার তাগিদে তাকে প্রমিত ও পরিশীলিত ভাষায় কথা বলতে হয়।
বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে
ভাব প্রকাশের প্রধান মাধ্যম হলো ভাষা। মনের ভাব পূর্ণরূপভাবে প্রকাশের তাগিদ থেকেই ভাষা সৃষ্টি। বাদযন্ত্র দ্বারা উচ্চারিত অর্থবোধক ধ্বনি সাহায্যে মানুষের ভাব প্রকাশের মাধ্যমকে ভাষা বলে। কিন্তু এখন আপনাদের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে?
বাংলা ভাষার উৎপত্তি প্রধান মগধী প্রাকৃত (বা গৌড়ীয় প্রাকৃত) থেকে হয়েছে। এটিকে আরও একটু বিস্তারিত ভাবে বললে বাংলা ভাষার উৎপত্তি গৌড়ীয় (মগধী) প্রাকৃত থেকে, যা অপভ্রংশের মাধ্যমে বিবর্তিত হয়ে প্রাচীন বাংলায় রূপ লাভ করে।
চলুন আমরা আরো গভীরভাবে জানি বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে!
বাংলা ভাষার উৎপত্তির ব্যাখ্যা
আত্মমর্যাদাশীল ও বিশ্ববিস্তারী বাংলা ভাষা সৃষ্টির পেছনে রয়েছে এক সু দীর্ঘ ইতিহাস। বিশ্বের যাবতীয় ভাষার উৎপত্তি হয়েছে হাতেগোনা কয়েকটি ভাষা গোষ্ঠী থেকে। তাদের মধ্যে একটি হল ইন্দ্র-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠী। এ ভাষা গোষ্ঠী থেকে উৎপত্তি হয়েছে অনেকগুলো ভাষা।
আর এই ভাষাগুলোই বর্তমান বিশ্বের প্রতিষ্ঠিত ও বহুল প্রচলিত ভাষা। বাংলা ভাষা ও ইন্দ্র-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীর অংশ। এখন থেকে প্রায় ৩৫০০ বছর পূর্বে এ অঞ্চলে ইন্দ্র-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীর উদ্ভব হয়েছিল বলে পন্ডিতদের ধারণা।
জনবিস্তৃতির ফলে ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লোকজন যে যার সুবিধামতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে নিজেদের স্থায়ী আবাস নির্ধারণ করতে থাকে। তেমনি ইন্দ্র ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীর একদল মানুষ পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে, যাদের ভাষা ছিল আর্য।
ভারতীয় জাতিসত্তার দিক থেকে আর্যরা বহিরাগত। তবুও আভিজাত্য ও কৌলিন্যে তারা ভারতীয়দের শীর্ষেই অবস্থান করত। স্থানীয় অনার্য আদিবাসীদের ভাষা ও সংস্কৃতিকে অধিকত করে আর্যরা তাদের স্বভাষারই (আর্যের) আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে।
কাল কোন এসে আধিপত্য ক্ষুদ্র হতে থাকে। কারণ ভাষাকে কখনো শৃঙ্খলিত করে রাখা যায় না। জলবায়ু কত প্রভাব ও অনার্যদের অবাধ প্রয়োগের কারণে আর্য ভাষায় দেখা দিল মিশ্রণ। এই মিশ্রণের ফলে ভাষা তার স্বাভাবিক মান হারাতে লাগল।
প্রয়োজন দেখা দিলেও ভাষা শাসন বা সংস্কারের। খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ অব্দ থেকে শুরু হলো ভাষা শাসনের। উদ্দেশ্যগ্রাহ্য একটি মান ভাষার প্রচলন করা। অতঃপর চেষ্টা করব ৪০০ অব্দে পাণিনি (পৃথিবীর অন্যতম আদি ব্যাকরণবিদ) তাঁর ‘অষ্ঠাধ্যায়ী’নামক বিখ্যাত গ্রন্থে ভাষাকে সংস্কার করে একটি মান্য ও পরিশীলিত রূপ দেন।
এই সংস্কারজাত ভাষার নতুন নামই সংস্কৃত ভাষা। যেহেতু ভাষা হল প্রবাহমান নদীর মত তাই এই সংস্কারজাত সংস্কৃত ভাষা কেবল উচ্চবিত্ত বা সম্ভ্রান্ত শ্রেণীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ রইলো না। মানুষের চিরায়ত মুখের ভাষা ভারতের নানা অঞ্চলে নানা রূপ নিয়ে বিস্তার লাভ করতে লাগলো, যার নাম ‘প্রাকৃত’ হঠাৎ প্রকৃত জনের মুখের ভাষা বা সাধারণ জনগণের কথ্য ও বোধ্য ভাষা।
পরে এই ‘প্রকৃত’ ভাষা ভারতের বিভিন্ন আঞ্চলিক প্রভাবে ও উচ্চারণের ভিন্নতায় নানার রূপ ধারণ করতে থাকে। যেমন মহারাষ্ট্রীয় প্রাকৃত, অর্ধমাগধী প্রাকৃত, মগধি প্রাকৃত, গৌড়ি প্রাকৃত ইত্যাদি। গৌড়ি প্রাকৃত থেকেই অপভ্রংশের বিকৃতের) মাধ্যমে বাংলা ভাষার উৎপত্তি। বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন ‘চর্যাপদে’ প্রাচীন বাংলা ভাষার পরিচয় পাওয়া যায়।
ক্রমান্বয়ে মধ্যযুগে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, বৈষ্ণব পদাবলি, অনুবাদ সাহিত্য, মঙ্গলকাব্য, রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ও লোকসাহিত্যের (মৌলিক ঐতিহ্যের) ভেতর দিয়ে বাংলা ভাষা ক্রমে বিকাশিত হয়। উনিশ শতকে পত্রপত্রিকা ও গ্রন্থ মুদ্রণের ভেতর দিয়ে বাংলা ক্রমেই একটি সমৃদ্ধ ভাষায় রূপ লাভ করতে থাকে।
বাংলা ভাষার বৈশিষ্ট্য
বাংলা ভাষার কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বাংলা ভাষার বিভিন্ন রূপ ও রীতি এবং বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে আশা করি উপরের সমস্ত কিছু বিসর্জন বুঝতে পেরেছেন। ভাষা মাত্রই কিছু বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। যেমন:
- ভাষা বাকযন্ত্র নিঃসৃত ধ্বনির সাহায্যে গঠিত।
- ভাষার ধ্বনিসমূহের অর্থবোধকতা আছে।
- ভাষা একটি বিশেষ জনগোষ্ঠীর কাছে অর্থবহ ও প্রচলিত।
- ভাষা নিয়তহ পরিবর্তনশীল ও গতিশীল।
আরো পড়ুন: সোনালী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম
এই বৈশিষ্ট্য গুলো পৃথিবীর সকল ভাষার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। বাংলা ভাষার ক্ষেত্রেও। তবে প্রতিটি ভাষারই নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে। এই নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের কারণে ভাষার স্বতন্ত্র রোগ কে প্রকাশ পায়। বাংলা ভাষারীতি ধ্বনিতাত্বিক বৈশিষ্ট্য, শব্দ গঠন, শব্দভাণ্ডার এবং বাক্য রীতির নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কথ্য, লেখ্য, সাধু, চলিত ছাড়াও নানান উপভাষা রূপ ও লক্ষ্য করা যায় এই ভাষায়।
লেখক এর মন্তব্য
বাংলা ভাষার বিভিন্ন রূপরীতি এবং বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি থেকে শুরু করে বাংলা ভাষার বিভিন্ন রূপ ও রীতি সম্পর্কে যদি আপনি বিস্তারিত জেনে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার মতামতটি জানাবেন। নিচে মন্তব্য করুন অপশনে ক্লিক করুন এবং আপনার মূল্যবান মতামতে জানান।
এবং যদি এখানে কোন পরিবর্তনের প্রয়োজন থাকে অবশ্যই জানাবেন। আর্টিকেলটি পড়ে যদি আপনি সমস্ত তথ্য ভালো হবে পেয়ে যান তাহলে আর্টিকেলটি আপনার বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে এবং আপনার সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে শেয়ার করুন। এরকম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে আমাদের ইভিভিটিভি ওয়েবসাইট প্রতিদিন ভিজিট করুন।


ইভিভিটিভি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়;
comment url