ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা প্রয়োজনীয় তথ্য
ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা কি এছাড়াও ব্র্যাক ব্যাংকের অন্যান্য সুবিধা অসুবিধা নিয়ে এবং আরো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করতে যাচ্ছি। আপনি যদি ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা জানতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য।
ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার জন্য আপনার কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে কি কি কাগজের প্রয়োজন হবে আমরা সমস্ত তথ্য আলোচনা করব। আরো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আলোচনা করতে চলেছি আজকের এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে।
সূচিপত্র
ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা
প্রথমেই আমরা আলোচনা করব ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা নিয়ে। এরপর ধাপে ধাপে আমরা অন্যান্য প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব। প্রত্যেকটা ব্যাংকে ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার জন্য কিছু যোগ্যতার প্রয়োজন হয়। ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা নিচে দেওয়া হল।
যোগ্যতার বিস্তারিত বিবরণ:
- বাংলাদেশী নাগরিক: ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার প্রথম যোগ্যতা হল আপনাকে বাংলাদেশি একজন নাগরিক হতে হবে।
- বয়স: ব্র্যাক ব্যাংক পি এল সি ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার জন্য সর্বনিম্ন ২১ বছর বয়স হতে হবে।
- আয়ের পরিমান: ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার জন্য ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্রতিমাসে সর্বনিম্ন ১৫ হাজার থেকে ২০,০০০ টাকা বেতন থাকতে হবে।
- পূর্বের লেনদেন: পূর্বে নিয়মিত লেনদেন করেছেন অনেক বেশি লেনদেন করেছেন এমন তথ্য থাকতে হবে।
- অন্যান্য যোগ্যতা: চাকরি ক্ষেত্রে বা অন্যান্য কর্মজীবীর ক্ষেত্রে বিভিন্ন ডকুমেন্ট প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়াও চাকরিজীবীর ক্ষেত্রে বয়সসীমা আলাদা হতে পারে।
আপনার যদি উপরোক্ত যোগ্যতা গুলো থাকে তাহলে আপনি এই ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড নিতে চাইলে নিম্নলিখিত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসগুলো সংগ্রহ। এরপর নিকটস্থ ব্র্যাক ব্যাংক পিএসসি লিমিটেড এর যেকোনো একটি শাখায় যান।
ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পেতে কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন
ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পেতে কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন এটা আপনাদেরকে জেনে রাখা প্রয়োজন। যখন আপনি ব্র্যাক ব্যাংকে ক্রেডিট কার্ড নিতে যাবেন তখন নিম্নলিখিত এই ডকুমেন্টগুলো প্রয়োজন হতে পারে। কার্ড পেতে অবশ্যই নিম্নলিখিত ডকুমেন্টগুলো সংগ্রহ করুন।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:
- আবেদন ফরম: ক্রেডিট কার্ড পেতে পুরনোকৃত আবেদন ফরম প্রয়োজন।
- জাতীয় পরিচয় পত্র: ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে বাংলাদেশের বৈধ নাগরিক হতে হবে। এজন্য এনআইডি কার্ডের ফটোকপি সাথে নিবেন।
- পাসপোর্ট সাইজ ছবি: দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
- আয়ের প্রমাণ পত্র: আপনি যদি চাকরিজীবী হন তাহলে গত এক মাসের স্যালারি কাগজ বা প্রমাণ পত্র। আপনি যদি একজন ব্যবসায়ী হন তাহলে ট্রেড লাইসেন্স ফটোকপি।
- ব্যাংক স্টেটমেন্ট: গত ছয় মাসের বা গত কয়েক মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট।
- ফ্রিল্যান্সার: আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার হন তাহলে আপনার ফ্রিল্যান্সিং কার্ড।
আপনার ক্রেডিট কার্ডে লিমিট কি রকম হবে আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী সেটি বাছাই করা হবে। তার সেলারি বা আপনার ইনকামের উপর ভিত্তি করে আপনার ইনভেস্টমেন্ট এর উপর ভিত্তিক ঘটে আপনি সেই ধরনের কার্ড নিতে পারেন। আপনার যদি বেশি লেনদেন করার প্রয়োজন হয় তাহলে আপনি বেশি লিমিটেড কার্ড দিতে পারেন।
আবেদন করার আগে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
যদি আপনার উপযুক্ত সকল যোগ্যতা থাকে আর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস থাকে তাহলে আপনি ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে আবেদন করার সময় কখনো আপনি ভুল তথ্য প্রদান করবেন না।
আবেদন করার সময় যদি কেউ ভুল তথ্য প্রদান করেন তা ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এছাড়াও আপনার আবেদনটি সঠিকভাবে কার্যকর হবে না।
আবেদন জমা দেওয়ার আগে যে বিষয়গুলো লক্ষ্য করা প্রয়োজন:
- অসম্পূর্ণ আবেদন ফ্রম জমা দিবেন না।
- সঠিক লেনদেনের হিসাব দিন।
- ভুল তথ্য প্রদান করবেন না।
- আবেদন জমা দেওয়ার আগে পুনরায় চেক করিনি।
ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড চার্জ
ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতে হলে এর কিছু নির্দিষ্ট চার্জ পরিশোধ করতে হয়। তবে এটি অনেকেই জানেন না ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড চার্জ কেমন? আপনি একজন ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারী হয়ে থাকলে ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড চার্জ সম্পর্কে জানা জরুরী। আবার যারা এখনো কার্ড নেননি তাদের জন্যও জানা প্রয়োজন। পেমেন্টের ধারণা অনুযায়ী ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের চার্জ ভিন্ন হয়ে থাকে।
ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড চার্জ হলো:
- এটিএম থেকে টাকা তুলতে কমপক্ষে ৩% পারসেন্ট ভ্যাট কাটা হবে। ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে তাই এটিএম থেকে টাকা তোলার ভালো না।
- কার্ড থেকে বিকাশ অথবা নগদে নিলে সেখানে ১.২% সাথে ভ্যাট প্রদান করতে হয়।
- বিদেশে ব্যবহার করলে এক্সট্রা ৩% চার্জ বেশি কাটা হয়।
- ক্রেডিট কার্ডের এসএমএস চার্জ বাৎসরিক ২০০ টাকা।
বছরে একটা কার্ড কত টাকা দিতে হবে
প্রত্যেকটা কার্ডের একটি বাৎসরিক ফি থাকে। ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের বাৎসরিক ফ্রি নিচে সংক্ষিপ্ত আকারে দেওয়া হলো।
একটা কার্ড রাখার খরচ:
- সস্তা কার্ড: ব্র্যাক ব্যাংকের সবার নিচের স্তরের কার্ড নিতে হলে বাৎসরিক ফি ৳১,৫০০ - ৳৩,০০০ টাকা দিতে হবে।
- মাঝারি কার্ড: একটা মাঝারি কাঠের জন্য আপনাকে বাৎসরিক ৳৫,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে।
- বেশি সুবিধা: এটি একটি ভিআইপি কার্ড এর জন্য আপনাকে ৳১০,০০০ - ৳২০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে।
এখানে যত বেশি টাকা তত বেশি সুবিধা আছে। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন বছরে একটা কার্ড কত টাকা দিতে হবে।
ক্রেডিট কার্ড নির্বাচন করার আগে যেসব বিষয় জানা জরুরি
একটি ক্রেডিট কার্ড বেছে নেওয়ার আগে আপনার প্রয়োজন, খরচের ধরন এবং আয় অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিচে বিষয়গুলো সহজভাবে তুলে ধরা হলো:
মাসিক আয় (আনুমানিক)
আপনার আয় অনুযায়ী কার্ড নির্বাচন করা উচিত।যেমন:
- ৳১৫,০০০ - ৳৩০,০০০ → কম খরচের (Basic) কার্ড
- ৳৩০,০০০ - ৳৭০,০০০ → মিড-রেঞ্জ কার্ড
- ৳৭০,০০০+ → প্রিমিয়াম কার্ড
মাসিক খরচের পরিমাণ
আপনি প্রতি মাসে গড়ে যত টাকা খরচ করেন তা জানা জরুরি:
- কম খরচ (৳১০,০০০ এর নিচে) → কম ফি-এর কার্ড যথেষ্ট
- মাঝারি খরচ (৳১০,০০০ - ৳৫০,০০০) → ক্যাশব্যাক/রিওয়ার্ড কার্ড ভালো
- বেশি খরচ (৳৫০,০০০+) → প্রিমিয়াম কার্ড বেশি সুবিধা দেয়
কার্ড ব্যবহারের উদ্দেশ্য
আপনি কোন কাজে বেশি ব্যবহার করবেন:
- Shopping → ডিসকাউন্ট ও অফার গুরুত্বপূর্ণ
- Online Payment → সিকিউরিটি ও ক্যাশব্যাক দরকার
- Travel → লাউঞ্জ এক্সেস ও ট্রাভেল বেনিফিট প্রয়োজন
চার্জ ও ফি সম্পর্কে ধারণা
বার্ষিক ফি, সুদের হার (প্রায় ২২% - ২৫%), লেট ফি ইত্যাদি আগে থেকে জানা উচিত।
পরিশোধ করার সক্ষমতা
প্রতি মাসে পুরো বিল সময়মতো দিতে পারলে সুদ লাগে না। তবে তাইলে অতিরিক্ত চার্জ দিতে হয়।
সুবিধা ও অফার
ক্যাশব্যাক, রিওয়ার্ড পয়েন্ট, লাউঞ্জ সুবিধা—এসব আপনার ব্যবহার অনুযায়ী বেছে নেওয়া উচিত।
📌সারসংক্ষেপ:
আপনার আয়, খরচ, এবং ব্যবহারের উদ্দেশ্য মিলিয়ে কার্ড নির্বাচন করলেই আপনি সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার সুবিধা ও অসুবিধা
ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে। আপনি যদি ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করার চিন্তাভাবনা করে থাকেন, অথবা আপনি যদি ইতিমধ্যে ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন তাহলে আপনার ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে জানা উচিত।
ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা:
- স্বাগত অফার: ক্রেডিট কার্ড নিলেই প্রথমেই আপনাকে স্বাগত অফার হিসাবে কার্ড ইস্যু করার পরেই নির্দিষ্ট পরিমাণের খরচের বোনাস রিওয়ার্ড পয়েন্ট এবং বিভিন্ন পার্টনার আউটলেট ওয়েলকাম ভাউচার দিয়ে থাকে।
- ক্যাশব্যাক ও রিওয়ার্ড: যখন কোন ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে কোন কেনাকাটা করা হয় তখন ব্র্যাক ব্যাংক কিছু ক্যাশব্যাক এবং রিওয়ার্ড পয়েন্ট অর্জনের সুযোগ দেয়।
- ইএমআই সুবিধা: নির্বাচিত মার্চেন্ট পার্টনারদের থেকে শূন্য শতাংশ সুদে কিস্তিতে কেনাকাটার সুবিধা পাওয়া যায়।
- ডুয়েল কারেন্সি: দেশ ও বিদেশে ব্যবহারের জন্য ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে।
- উপরোক্ত এই ধরনের সুবিধা গুলো ছাড়া ও আরো অনেক ধরনের সুবিধা রয়েছে। ব্র্যাক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে উপরোক্ত সুবিধা গুলো ছাড়া অন্যান্য অনেক সুবিধায় পাওয়া যায়।
ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের অসুবিধা:
তবে ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা থাকলেও কিছু অসুবিধা রয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডে অসুবিধাসমূহ:
- উচ্চ চার্জও ফি: ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের বাৎসরিক এবং বিভিন্ন ফি অনেক বেশি যার কারণে এটি গ্রাহকদের জন্য অসুবিধার কারণ হতে পারে।
- দেরিতে পেমেন্ট জরিমানা: ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারী বিল পরিশোধের শেষ তারিখের পর পেমেন্ট করলে মোট অংকের লেড ফি বা জরিমানা ফি দিতে হয় প্রায় ২২ থেকে ২৫ পার্সেন্ট পর্যন্ত।
- বেশি সুদ: যদি প্রো বিল পরিষদ না করেন এবং আংশিক বিল পরিশোধ করেন তাহলে সেই অবশিষ্ট টাকার উপর অনেক বেশি সুদ প্রযোজ্য হয়।
ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড কি?
অন্যান্য ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড থেকে ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড একটু আলাদা। এর কিছু পার্থক্য রয়েছে।
ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড হলো এমন একটি কার্ড যেটা দিয়ে যে কেউ ব্যাংক থেকে আগে টাকা নিয়ে খরচ করতে পারে পরে সেই টাকা পরিশোধ করতে হয়। আমরা যদি এক কথায় এটিকে বলতে চাই এটা একটা ছোট ধরনের লোন ধরা যায় কার্ড দিয়ে ব্যবহার করা যায়। আপনাদের মাথায় এখন প্রশ্ন আসতে পারে আসলে এটা কিভাবে কাজ করে।
কিভাবে কাজ করে?
যখন আপনি ব্র্যাক ব্যাংকে ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করবেন তখন আপনার তথ্য দেখে আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী আপনাকে একটি লিমিটেড কার্ড দেয়। আপনার ইনকাম যদি অনেক বেশি হয়ে থাকে তখন আপনাকে তারা আনলিমিটেড কার্ড দিতে পারে। যেমন লিমিট থাকতে পারে ৫০০০০ টাকা।
এখন আপনি সেই টাকা দিয়ে শপিং করতে পারবেন অনলাইনে পেমেন্ট করতে পারবেন বিল দিতে পারবেন। এছাড়াও আরেকটি সুবিধা হল এখান থেকে পেমেন্ট করলে বা লেনদেন করলে কিছু রিওয়ার্ড পাওয়া যায় যেগুলো পরবর্তীতে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন।
আরো পড়ুন: ব্যাংক কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি
মাস শেষে ব্যাংক বিল প্রদান করবে, আর আপনি সেই বিল পরিশোধ করবেন। তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সময় মতন বিল পরিশোধ না করতে পারলে এখানে প্রায় 22 থেকে 25 শতাংশ সুদ দিতে হয়। চলুন আমি আপনাকে উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দেই।
উদাহরণ:
ধরুন আপনার কার্ডের লিমিট ৫০০০০ টাকা। আর আপনি খরচ করলেন 10,000 টাকা। আপনি যদি মাস শেষে ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন তাহলে এক্সট্রা কোন চার্জ প্রযোজ্য হবে না। যদি আপনি সময় মতন এই ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে না পারেন তাহলে সুদ দিতে হবে প্লাস অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে।
লেখকের মন্তব্য
আমরা এতক্ষণ আলোচনা করলাম ব্র্যাক ব্যাংক কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা। এবং প্রয়োজনীয় সকল তথ্যই আমরা তুলে ধরেছি। এই বিষয়ে আপনার কোন মতামত থাকলে নিচে কমেন্টে জানাবেন। আমরা আপনার কমেন্টের উপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে কনটেন্ট দেওয়ার চেষ্টা করব। ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড নিয়ে প্রথমেই টাকা খরচ করতে হয় এরপরে সেখানে বিল পরিশোধ করতে হয়। আর্টিকেল তুই ভালো লাগলে আপনার বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে অথবা আপনার ফেসবুকে শেয়ার করুন।


ইভিভিটিভি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়;
comment url