পথ জানা নেই গল্পের মূলভাব এবং রচয়িতা কে
আজকে আমরা এ আর্টিকেলটির মাধ্যমে রচনা করব পথ জানা নেই গল্পের মূলভাব এবং পথে যারা নেই গল্পের রচয়িতা কে! আপনি যদি এই সকল প্রশ্ন আপনার মনে নিয়ে থাকেন তাহলে আপনি সঠিক জায়গাতে এসেছেন। এখানে আপনি সহজ ভাষায় সকল তথ্য সকল প্রশ্নের উত্তর জানতে পারবেন।
পথ জানা নেই গল্পের মূলভাব এবং রচয়িতা কে এটি সঙ্গে সঙ্গে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে যেগুলো আপনার জেনে রাখা প্রয়োজন।
সূচিপত্র
পথ জানা নেই গল্পের রচয়িতা কে
পথ জানা নেই গল্পের রচয়িতা শামসুদ্দিন আব্দুল কালাম (১৯২৫-১৯৯৭)।
পথ জানা নেই গল্পের মূলভাব
একদিকে অগণিত গ্রাম আর একদিকে স্বল্পসংখ্যক শহর নিয়ে গড়ে উঠেছে আমাদের দেশ। গ্রামের তুলনায় শহরের সংখ্যা যেমন স্বল্প লোকসংখ্যার বিভাজনও তেমনি অসমানুপাতিক। সেই প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে অদ্য আমাদের জনগোষ্ঠীর সিংহভাগ বসবাস করে আসছে গ্রামে। গ্রামই আমাদের সভ্যতা ও সংস্কৃতির পাদপীঠ।
আমাদের জীবন ঘরানার মৌল বৈশিষ্ট্যটি খুঁজে পাওয়া যায় গ্রামেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও সাম্প্রতিককালে নগরসমূহ হয়ে উঠেছে সবকিছুর ধারক ও নিয়ন্ত্রক। আয়তন ও সংখ্যার দিক থেকে সামান্য হলেও বিশাল গ্রাম-সাম্রাজ্যের চালিকাশক্তি এখন শহরের হাতে। তাই গ্রামের মানুষ তাদের জীবনের দিকনির্দেশনা পাবার জন্য তাকিয়ে থাকে শহরের দিকে। শহরের সাথে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে চেষ্টা চালায় আপন জীবন ও জনপদের উন্নতি সাধনের। এই প্রচেষ্টার ফল সবসময় যে ইতিবাচক হয় তা নয়। কখনও কখনও ঘটে দারুণ নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। শামসুদ্দীন আবুল কালাম তাঁর 'পথ জানা নাই' গল্পটিতে সেই অনাকাঙ্ক্ষিত নেতিবাচক পরিচয়টিকেই উদ্ঘাটন করেছেন। শামসুদ্দীন আবুল কালাম তাঁর 'পথ জানা নাই' গল্পে নাগরিক সভ্যতার নেতিবাচক দিকটিকেই মুখ্য করে তুলেছেন। গ্রামকে তিনি দেখেছেন শান্তি ও স্বস্তিময় জীবনের অধিষ্ঠানভূমি হিসেবে। সম্পদের প্রাচুর্য সেখানে নেই, নেই আলো ঝলমল জীবনের গরিমা; কিন্তু রয়েছে অনাবিল প্রশান্তি আর আদিম সরলতা। কঠোর পরিশ্রমে এখানকার মানুষ ফসল ফলায়। জমি ও নারীর অধিকার নিয়ে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাতেও পিছুপা হয় না। তবে সংঘাতের চেয়ে সহমর্মিতার পরিমাণই এখানে বেশি। তাই পরিবার থেকে শুরু করে গোটা সমাজ পারিপার্শ্বিকতার কোথাও আন্তরিকতা বা হৃদ্যতার কোন ঘাটতি পড়ে না। দক্ষিণ বাংলার মাউলতলা নামে এক নিভৃত গ্রামের পটভূমিতে যে জীবনচিত্রকে গল্পকার উপস্থাপন করেছেন তা এক প্রীতিময় আবেগ ও স্নিগ্ধতায় সর্বাঙ্গ পরিপুষ্ট। পক্ষান্তরে নাগরিক জীবনের যে পরিচয় গল্পে উপস্থাপিত হয়েছে তার প্রায় সবটুকুই কালিমায় লিপ্ত। নতুন রাস্তা তৈরি হওয়ার পর গহুরালি যখন তার সবক'টি জামা একসাথে গায়ে চাপিয়ে, চোখে মুখে তেল মেখে প্রসাধন চর্চিত হয়ে শহর ভ্রমণে যায় তখন সেখানকার মানুষজনের চালচলন, জীবনযাত্রা, ধনঐশ্বর্য দেখে প্রথমে সে বিস্মিত হয়। কিন্তু তার পরপরই হতাশ হয়ে পড়ে। যখন দেখে 'তাহার মত দীন দরিদ্রের প্রতি সকলেই ভ্রূক্ষেপহীন। দুইদণ্ড আসিয়া এখানে কেহই তো তাহার কুশল জিজ্ঞাসা করে না।' শহর গহুরালিকে হতাশ করলেও পয়সার মূল্য সম্পর্কে তাকে সজাগ করে তুলেছিল। সে তাই গ্রামে ফিরে এসেছিল অর্থের প্রতি এক নতুন জাগা মমত্ববোধ সাথে নিয়ে। পরবর্তীতে তাই সে তার জীবনকে সম্পূর্ণভাবে নিবেদিত করেছে অর্থ উপার্জনের প্রচেষ্টায়। গ্রামের তরিতরকারী, শাকসব্জী যা সে পেয়েছে হাতের কাছে, তা-ই শহরে বয়ে নিয়ে গেছে বিক্রি করে অর্থ প্রাপ্তির আসায়। তার এই প্রবণতা লক্ষ করে একদিন তার বউ হাজেরা তাকে পরিহাস করে বলেছিল "যা আরম্ভ করলা, শেষকালে আমাগোও না বাজারে লইয়া যাও।" পয়সার দামে যেখানে সবকিছু বিকিয়ে যায় সেই নাগরিক সভ্যতার হাতে ক্রীড়নক স্বামীর প্রতি হাজেরা খানিকটা ব্যঙ্গাত্মক দৃষ্টিতে তাকালেও শেষাবধি সে নিজেই বলী হয়ে গেছে সেই সভ্যতার আগ্রাসী থাবার কাছে। শহুরে সভ্যতার সংস্পর্শে আসার ফলে পরিবর্তন শুধু গহুরালির জীবনেই আসে না, আসে গোটা গ্রাম্য জীবনেই। তবে সেই পরিবর্তনের প্রায় সবটুকুই নেতিবাচক। সামান্য কারণেই মানুষ মামলা-মকদ্দমা নিয়ে মেতে ওঠে। বহু দূরের যুদ্ধের উত্তাপ এসে লাগে তাদের গায়ে। শোনা যায় মন্বন্তরের পদধ্বনি। লেখকের ভাষায়, “চালডালের দাম, বাড়িল। দাম চড়িল সব জিনিসের। কমিল কেবল জীবনের। ধীরে ধীরে এই সড়ক বহিয়াই আসিল মন্বন্তর। আসিল রোগব্যাধি, চোরাবাজার আর দুর্নীতির উত্তাল জোয়ার। সুশাসনে নিযুক্ত সরকারি কর্মচারী আসে এই পথ বাহিয়া, আবার ঘুষ পকেটে লইয়া ফিরিয়া যায়। শহরের সাহেবের বাবুর্চিখানায় কাজ করে যে লুৎফর, তাহার সহিত সোমত্তকন্যা কুলসুম উধাও হইয়া যায়। লড়াই ফেরৎ ইউসুফের স্ত্রী কঠিন স্ত্রীরোগে হাত-পা-মুখে ঘা লইয়া শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। আর আসে তরিতরকারী, কাঠ, মুরুগী-হ্যানোত্যানো নানা জিনিস কিনিতে মিলিটারীর দালাল।"এই দালালের হাত ধরেই গহুরালির জীবনে আসে চরম সর্বনাশ। এক সকালে ঘুম থেকে উঠে গহুরালি তার বউ হাজেরাকে আর খুঁজে পেল না। অনেক খোঁজাখুঁজি করে জানতে পারে যে তার বউ সেই দালালের সাথে শহরের দিকে চলে গেছে। অন্তরে বাইরে নিঃস্ব গহুরালির জন্য তখন অবরুদ্ধ আক্রোশ বুকে নিয়ে শহরের সাথে সংযোগ সাধনকারী নতুন রাস্তাটিকে কুপিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করা ছাড়া আর কিছুই রইল না তার করার। অবিমিশ্র ভালো বা মন্দ বলে কিছু নেই। যে কোন জিনিসের ভালো দিকের পাশাপাশি তার কিছু মন্দ দিকও চোখে পড়ে। গ্রামীণ সভ্যতা সংস্কৃতির যেমন নেতিবাচক দিক আছে তেমনি আছে তার ইতিবাচক পরিচয়ও। ঠিক তেমনি শহুরে সভ্যতার যেমন মন্দ দিক আছে তেমনি আছে তার ভালো দিকও। কিন্তু 'পথ জানা নাই' গল্পে লেখক শহুরে জীবন ও নগরকেন্দ্রিক সভ্যতার শুধু নেতিবাচক দিকটিকেই বড় করে দেখিয়েছেন।
'পথ জানা নাই' গল্পের আলোকে বণিক সভ্যতার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
উত্তর: শামসুদ্দীন আবুল কালাম 'পথ জানা নাই' গল্পটিতে গ্রামীণ সভ্যতার ওপর আধুনিক-সর্বগ্রাসী বণিক সভ্যতা কীভাবে ৪ একটি নিস্তরঙ্গ সরল সহজ গ্রামীণ সমাজকে বিপর্যস্ত করেছে তা তুলে ধরেছেন।
বণিক সভ্যতার সংক্ষিপ্ত পরিচয়: গ্রামীণ জীবনের তুলনায় নাগরিক জীবন সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী ও বিপরীতধর্মী। শহরের মানুষ আত্মকেন্দ্রিক ও লোভী। পরশ্রীকাতরতা শহরের লোকদের মধ্যে হিংসা বিদ্বেষের জন্ম দেয়।
তাই অল্পে এরা খুশি থাকতে পারে না। শহরের মানুষদের মনমানসিকতা বাণিজ্যিক। বণিক সভ্যতা এদেরকে উচ্চাভিলাসী করে ফেলেছে। এরা অল্পে তুষ্ট নয়। বেশি বেশি চাহিদার কারণে শহরের মানুষ হিংস্র হয়ে উঠে। এ কারণে এদের মধ্য থেকে মানবিকতা লোপ পায়।
আত্ম প্রতিষ্ঠার জন্য এরা আগ্রাসী হয়ে উঠে। মাউলতলা দক্ষিণ বাংলার একটি নিভৃত গ্রাম। অন্য দশটি গ্রামের মতো এখানকার মানুষ ছিল শান্তি প্রিয়। গ্রামের মানুষ মিলে মিশে হাসি আনন্দে দিন কাটাত। মামলা-মকদ্দমা, রোগব্যাধি এ গ্রামে বলতে গেলে ছিলই না। এই - নিস্তরঙ্গ গ্রামে সুখ, শান্তি, স্বস্তি ও আনন্দের অভাব ছিল না।
হিংসা বিদ্বেষ ছিল অনুপস্থিত। মাউলতলা গ্রামের জোনাবালি বাইরে থেকে গ্রামে ফিরে এসে গ্রামবাসীকে শোনাল নতুন জীবনের কথা। শহরের সাথে গ্রামের যোগাযোগ স্থাপিত না হলে জীবনের ও-জীবিকার উন্নতি হবে না- এ কথাটা সে গ্রামবাসীকে বুঝাতে সক্ষম হলো।
কারো কারো আপত্তি সত্ত্বেও গ্রামের মানুষের জমির উপর দিয়ে নির্মিত হলো একটি সড়ক। এই সড়ক দিয়ে শহরে যাতায়াত করা শুরু হলো। গহুরালির পাঁচ কুড়া জমির দুই কুড়াই চলে গেল সড়কে। তবুও নতুন জীবনের স্বপ্নে বুক-বেঁধে দাঁড়াল সে।
নির্মিত নতুন সড়কের মাধ্যমে শহুরে বণিক সভ্যতার সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠল মাউলতলার। এর ফলে কেবল গহুরালির জীবনেই পরিবর্তন এল না, এল গোটা গ্রাম্য জীবনেই। তবে সেই পরিবর্তনের প্রায় সবটুকুই নেতিবাচক। সামান্য কারণেই মানুষ আইন-আদালত শুরু করল।
শোনা গেল মন্বন্তরের পদধ্বনি। দাম বাড়ল সব জিনিসের, কমল কেবল জীবনের দাম। গ্রামে এল রোগব্যাধি, চোরাবাজারি ও ঠিকাদারি। সুশাসনে নিযুক্ত কর্মচারী নতুন সড়ক বেয়ে গ্রামে আসতে লাগল আর ফিরে যেতে লাগল ঘুষের টাকায় পকেট ভর্তি করে।
শহরের বাবুর্চিখানার লুৎফর আসগরউল্লাহর সোমত্ত মেয়ে কুলসুমকে নিয়ে পালাল। যুদ্ধ ফেরৎ ইউসুফের স্ত্রী কঠিন স্ত্রীরোগে আক্রান্ত হলো। আর আসতে লাগল তরিতরকারি কাঠ-মুরগি, শাকপাতা কেনার ঠিকেদার। গহুরালির শখ্য গড়ে উঠল এক মিলিটারির দালালের সাথে।
তার সাথে ব্যবসায় করে গহুরালির আর্থিক অবস্থার উন্নতি হলো। খড়ের ঘরের পরিবর্তে ভিটেয় উঠল টিনের ঘর। কিন্তু একদিন সকালে ঘুম থেকে জেগে গহুরালি দেখল তার স্ত্রী হাজেরা ঘরে নেই। খোঁজ নিয়ে বুঝতে পারল ওই দালালের সাথে হাজেরা পালিয়েছে। মন্বন্তরে গহুরালি নিঃস্ব হয়েছিল বাইরে, এবার হলো অন্তরে। বণিক সভ্যতা এভাবে একটা নিস্তরঙ্গ গ্রামকে বিপর্যস্ত করে ফেলল।
আরো পড়ুন: বর্তমানে বিশ্বের সেরা গোলকিপার কে
উপসংহার: উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, বণিক সভ্যতার কুফল মাউলতলা গ্রামটিকে তছনছ করে দিয়েছিল। এখানকার মানুষের নিস্তরঙ্গজীবনে এই সভ্যতা যে তরঙ্গ তুলেছিল তাতে গ্রামের লাভের চেয়ে ক্ষতি হয়েছিল বেশি। বণিক সভ্যতার নগ্নতা শান্তশিষ্ট স্নিগ্ধ গ্রামটিকে অস্থির করে তুলেছিল। এ গ্রামের মানুষের সুখশান্তিকে কেড়ে নিয়ে তাদেরকে বিপর্যন্ত করে ফেলেছিল।
"আমরা যে রাস্তা চাইছেলাম হেয়া এনা, ঠিক অয় নাই।”- কে এবং কেন এমন বলেছে?
উত্তর। উদ্ধৃতাংশটুকু শামসুদ্দীন আবুল কালাম বিরচিত 'পথ জানা নাই' গল্পের স্ত্রীহারা উন্মত্ত গহুরালি -নবনির্মিত রাস্তাকে তার ভাগ্য বিড়ম্বনার জন্য দায়ী করে একথা বলেছে।
এমন বলার কারণ: গ্রামবাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি গ্রামের নাম মাউলতলা। এই গ্রামের একজন দরিদ্র কৃষক গহুরালি। তার ছিল মাত্র পাঁচ কুড়া জমি। এই জমির আয় থেকেই একান্ত অভাব অনটনের মধ্যদিয়ে সে সংসারযাত্রা নির্বাহ করতো।
ইংরেজ শাসনের শেষদিকে ঐ গ্রামের জোনাবালি বাইরে থেকে কাঁচা টাকার মালিক হয়ে গ্রামে ফিরল। সে গ্রামবাসীকে এক নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখাল। গ্রামের সাথে শহরের যোগাযোগ স্থাপনের জন্য সে একটা রাস্তা বানানোর পরিকল্পনা করল।
গ্রামের স্বল্প জমির মালিকেরা এতে আপত্তি জানাল। কিন্তু জোনাবালি তাদেরকে এই যুক্তি দিয়ে রাজি করাল যে. রাস্তার জন্য যেটুকু জমি তাদের নষ্ট হবে; এই রাস্তার উপর দিয়ে শহরের সাথে ব্যবসায় বাণিজ্য করে তার চেয়ে লাভ হবে বেশি।
সকলে লাভ ও নতুন জীবনের আশায় রাস্তা তৈরির কাজে লেগে গেল। স্ত্রী হাজেরার আপত্তি সত্ত্বেও গহুরালি রাস্তার জন্য দুই কুড়া জমি দিয়ে দিল। রাস্তা হয়ে গেল। গ্রামের মানুষ শহরে যেতে শুরু করল। গ্রামের নানান জিনিসপত্র শহরে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে কেউ কেউ কাঁচাপয়সা রোজগার করতে লাগল।
গহুরালিও দু'পয়সা রোজগার করল। এর মধ্যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলো। দুর্ভিক্ষ নেমে এল। তার ঢেউ মাউলতলার গায়ে এসে লাগল। শহর থেকে মিলিটারির দালাল এল গ্রামে।
উচ্চাকাঙ্ক্ষার বশবর্তী হয়ে গহুরালি এই দালালের সাথে খাতির জমাল। একদিন দালালটি গহুরালির স্ত্রী হাজেরাকে নিয়ে পালাল। স্ত্রী হারিয়ে সে পাগল হয়ে গেল। এর জন্য সে দায়ী করল ঐ রাস্তাকে। একটা কোদাল দিয়ে সে রাস্তাটা কোপাতে শুরু করল। সকলে জিজ্ঞাসা করল, কর কী গহুরালি? গহুরালি উন্মত্তের মতো বলল এ রাস্তা ঠিক হয়নি। যে রাস্তা সে চেয়েছিল তা এটা নয়।
মন্তব্য: 'পথ জানা নাই' গল্পের তথ্য মতে গহুরালি রাস্তা চেয়েছিল নতুন জীবনের জন্য। কিন্তু যে রাস্তা তৈরি হয়েছে তা তার দাম্পত্য জীবনকে ধ্বংস করেছে।
লেখকের মন্তব্য - পথ জানা নেই গল্পের মূলভাব
আজকে আমরা আলোচনা করলাম পথ জানা নেই গল্পের মূলভাব এবং পথ জানা নেই গল্পের রচয়িতা কে। এখানে যদি আপনার আর কোন প্রশ্ন থাকে নিচে আপনার মূল্যবান প্রশ্নটি জানাবেন আমরা আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। আর্টিকেলটি বা সঠিকভাবে আপনি সকল কিছু বুঝতে পারলে শেয়ার করে দিন আপনার বন্ধুবান্ধবদের কাছে।
আশপাশে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে শেয়ার করুন যাতে পরবর্তী সময়ে আপনি এই বিষয়ে আবার জানতে পারেন আর অন্যরাও এ বিষয় জেনে উপকৃত হতে পারে। শিক্ষামূলক এই ধরণের আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে ইভিভিটিভি প্রতিদিন ভিজিট করুন।



ইভিভিটিভি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়;
comment url